📌 ভোলার মনপুরা উপজেলায় নির্মাণাধীন হাজার কোটি টাকার বেড়িবাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজ ও অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে বাঁধ দুর্বল হয়ে পড়েছে। পাউবো কর্মকর্তারা অবশ্য অতিবৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতের কথা বলছেন।
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নির্মাণাধীন হাজার কোটি টাকার বেড়িবাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তদারকির অভাব এবং নিম্নমানের কাজের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই বাঁধ ধসে যাচ্ছে। গত মঙ্গল ও বুধবার টানা বৃষ্টিতে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নির্মিত বেড়িবাঁধে ধস নামে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভোলার মনপুরা উপজেলায় নির্মাণাধীন হাজার কোটি টাকার বেড়িবাঁধে ধস দেখা দিয়েছে
- 📌 স্থানীয়দের অভিযোগ, পাউবোর তদারকির অভাব ও নিম্নমানের কাজের কারণে বাঁধ দুর্বল হয়ে পড়েছে
- 📌 গত মঙ্গল ও বুধবার টানা বৃষ্টিতে হাজিরহাট ইউনিয়নের ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধ ধসে পড়ে
- 📌 মনপুরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডসহ একাধিক এলাকায় বেড়িবাঁধের মাটি সরে গিয়ে ধান ক্ষেত নষ্ট হয়েছে
- 📌 স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু বেড়িবাঁধ নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নির্মাণাধীন হাজার কোটি টাকার বেড়িবাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সঠিক তদারকির অভাব এবং সাব-ঠিকাদার দিয়ে নিম্নমানের কাজ করানোর কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই বাঁধ ধসে যাচ্ছে। গত মঙ্গল ও বুধবার টানা বৃষ্টিতে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিমাংশে নির্মিত বেড়িবাঁধে ধস নামে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত দেড় মাসে বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের বিভিন্ন স্থান ধসে পড়েছে। পরে পাউবোর নির্দেশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তড়িঘড়ি করে ধসে যাওয়া অংশ মেরামত করে। সরেজমিনে দেখা গেছে, মনপুরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম পাশে নির্মিত বেড়িবাঁধ, হাজিরহাট ইউনিয়নের ২, ৩ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে নির্মিত বেড়িবাঁধ ও দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের সূর্যমুখী এলাকায় বেড়িবাঁধ ধসে পড়েছে। কোথাও বেড়িবাঁধের বালু সরে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। ধসে পড়া বেড়িবাঁধের মাটি ও বালু আমনখেতে পড়ে ধান নষ্ট হয়েছে।
হাজিরহাট এলাকার সোনারচর ২ নম্বর ওয়ার্ডের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বাপ্পীসহ অনেকে জানান, মেঘনা নদীর নিম্নমানের বালু বেড়িবাঁধে ব্যবহার করায় একটু বৃষ্টি হলেই বাঁধ ধসে পড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দা শাকিল কাজী, শুভ্র ও জিসান জানান, গত বছর বেড়িবাঁধের কাজের অনিয়মের প্রতিবাদ করতে গিয়ে প্রাণ হারান ছাত্রদল নেতা রাশেদ। পরে একই বছরে মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ এলাকায় নির্মিত বেড়িবাঁধের গর্তে পড়ে মারা যায় ১০ বছরের এক শিশু।
"মেঘনা নদীর তীরসংলগ্ন এলাকা থেকে বালু তোলার বিষয়ে সরকার ও মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক কিলোমিটার দূরে বালু তোলার অনুমতি দেওয়া আছে। কেউ নির্দেশ অমান্য করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলার মনপুরা উপজেলা, হাজিরহাট ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাফউদ্দৌলা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ১৭০ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!