📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

উদীচীর স্মরণসভায় যতীন সরকারের আদর্শ ও কর্মের আলোচনা

উদীচীর স্মরণসভায় যতীন সরকারের আদর্শ ও কর্মের আলোচনা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় সংসদ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক যতীন সরকারকে স্মরণ করেছে। স্মরণসভায় তাঁর জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়

উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় সংসদ (একাংশ) তাদের সাবেক সভাপতি, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক অধ্যাপক যতীন সরকারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেছে। গান, আবৃত্তি ও স্মৃতিচারণার মধ্য দিয়ে আয়োজিত স্মরণসভাটি অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর পুরানা পল্টনের কমরেড মণি সিংহ-ফরহাদ স্মৃতি ট্রাস্ট মিলনায়তনে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের আয়োজনে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয় ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার
  • 📌 অধ্যাপক যতীন সরকারের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উদীচীর নেতারা
  • 📌 স্মরণসভায় এক মিনিট নীরবতা পালন এবং সমবেত কণ্ঠে গান পরিবেশন করা হয়
  • 📌 অধ্যাপক যতীন সরকার ১৯৬০-এর দশকে ময়মনসিংহে উদীচীর কার্যক্রম ছড়িয়ে দেন
  • 📌 তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত উদীচীর সভাপতি ছিলেন
  • 📌 যতীন সরকার সামাজিক নিপীড়ন ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন

📰 বিস্তারিত

উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিমের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া আলোচনা পর্বে অধ্যাপক যতীন সরকারের জীবন, আদর্শ ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। উদীচীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম সিদ্দিক, সহসভাপতি প্রবীর সরদার, সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে, সহসাধারণ সম্পাদক সঙ্গীতা ইমাম, কেন্দ্রীয় সদস্য নিবাস দে ও বিমল মজুমদার অংশ নেন আলোচনায়।

সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, যতীন সরকার ১৯৬০-এর দশকে ময়মনসিংহের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বে পুরো জেলায় উদীচীর কার্যক্রম দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তিনি ১৯৮০-এর দশক থেকে উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৩ সালে সভাপতি নির্বাচিত হয়ে টানা দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালনের পর ২০০৮ সালে অবসর নেন।

সভাপতির বক্তব্যে মাহমুদ সেলিম বলেন, যতীন সরকার আজীবন সামাজিক নিপীড়ন, বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। তিনি মনে করতেন, সমাজ থেকে দুর্নীতি ও বৈষম্য দূর না হওয়া পর্যন্ত দারিদ্র্য কমিয়ে আনা যাবে না।

"যেকোনো সংকটে, সংগ্রামে দেশ ও বিদেশে উদীচীর হাজারো শিল্পী-কর্মীর অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেছেন যতীন সরকার। সাম্যবাদী, অসাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদমুক্ত দেশ গঠনে তিনি সচেষ্ট ছিলেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পুরানা পল্টন, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক যতীন সরকার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖