📌 ভোলার চরফ্যাশনে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা বিপন্ন প্রজাতির ২৫০টি কচ্ছপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে চারটি ঝুড়িতে অবরুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া কচ্ছপগুলোকে নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করা হয়।
ভোলার চরফ্যাশনে পাচারের প্রস্তুতিকালে বিপন্ন প্রজাতির ২৫০টি কচ্ছপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে চরফ্যাশন বাজারে পরিচালিত অভিযানে চারটি বাঁশের ঝুড়িতে অবরুদ্ধ অবস্থায় এই কচ্ছপগুলো উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত কচ্ছপগুলোকে সদর উপজেলা ও চরফ্যাশন রেঞ্জ অফিসের পুকুরে অবমুক্ত করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিপন্ন প্রজাতির ২৫০টি কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়েছে ভোলার চরফ্যাশনে
- 📌 অভিযান চালানো হয় সোমবার রাতে চরফ্যাশন বাজারে
- 📌 উদ্ধারকৃত কচ্ছপগুলোর মধ্যে প্রধানত ‘সুন্ধি কাছিম’ ও ‘কড়ি কাইট্টা’ প্রজাতির কচ্ছপ রয়েছে
- 📌 অভিযানের সময় পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি
📰 বিস্তারিত
ভোলার চরফ্যাশনে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা বিপন্ন প্রজাতির ২৫০টি কচ্ছপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। উপকূলীয় বন বিভাগ ভোলার সদর উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা সুফল রায় জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চরফ্যাশন বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান শেষে রাত ১০টার দিকে কচ্ছপগুলোকে সদর উপজেলা ও চরফ্যাশন রেঞ্জ অফিসের পুকুরে অবমুক্ত করা হয়।
উদ্ধার হওয়া কচ্ছপগুলোর মধ্যে প্রধানত ‘সুন্ধি কাছিম’ এবং স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘কড়ি কাইট্টা’ প্রজাতির কচ্ছপ রয়েছে। বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিভিন্ন স্থান থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ শিকার ও পাচারের অভিযোগ আসছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে বন বিভাগ আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিল।
তবে বন বিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশে ২০২৬ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী কচ্ছপ শিকার, কেনাবেচা এবং পাচার সম্পূর্ণ বেআইনি।
"বিভিন্ন স্থান থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ শিকার ও পাচারের অভিযোগ আসছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে বন বিভাগ আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিল এবং এর ধারাবাহিকতায় অভিযানটি পরিচালনা করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলা জেলার চরফ্যাশন, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুফল রায় (উপকূলীয় বন বিভাগ ভোলার সদর উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০টি কচ্ছপ, ২৪ আগস্ট রাত ১০টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!