📌 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট উত্তরা এলাকায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ ক্যাডারদের এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন সামিদ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তার মৃত্যু নিয়ে সাক্ষ্য দেন প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল নাসির উদ্দিন। তিনি অভিযোগ করেন, ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার মাধ্যমে হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সোমবার জবানবন্দিতে প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল নাসির উদ্দিন জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট উত্তরা পূর্ব থানার সামনে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের ক্যাডারদের এলোপাতাড়ি গুলিতে তাঁর বন্ধু সামিদ নিহত হন। তিনি বলেন, গুলির মুহূর্তে তাঁরা চার-পাঁচজন মিলে ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির উদ্দেশে যাচ্ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে উত্তরা এলাকায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ ক্যাডারদের এলোপাতাড়ি গুলিতে সামিদ নিহত হন
- 📌 সামিদের কপালে গুলি লেগে মাথার পেছন দিয়ে বেরিয়ে যায় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল নাসির উদ্দিন
- 📌 নিহত সামিদের বাড়ি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায়
- 📌 ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় সজীব ওয়াজেদ ও জুনাইদ আহ্মেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন নাসির উদ্দিন
- 📌 সামিদের মৃত্যু সম্পর্কে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার মাধ্যমে তথ্য গোপন করার অভিযোগ করেন তিনি
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সোমবার জবানবন্দিতে প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল নাসির উদ্দিন জানান, তিনি ও সামিদসহ চার-পাঁচজন মিলে ৫ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে টঙ্গীর চেরাগআলী এলাকা থেকে ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির উদ্দেশে রওনা দেন। বেলা দুইটার দিকে তাঁরা উত্তরা বিএনএস সেন্টার এলাকায় পৌঁছান। সেখানে আড়াইটার দিকে উত্তরা পূর্ব থানার দিক থেকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করলে তাঁরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান।
নাসির উদ্দিন বলেন, সামিদকে খুঁজে না পেয়ে তাঁরা তাঁর ফোনে বারবার কল দিলেও কল রিসিভ হয়নি। বিকেল পাঁচটার দিকে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে তাঁর কাছে ফোন আসে এবং উত্তরা কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে যেতে বলা হয়। সেখানে গিয়ে তিনি সামিদকে আইসিইউতে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। সামিদের কপালে গুলি লেগে মাথার পেছন দিয়ে বেরিয়ে গিয়েছিল বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, সামিদের মৃত্যুতে তাঁর বাবা হাসপাতালে ছুটে আসেন এবং দেখেন তাঁর ছেলে ইতোমধ্যেই মৃত্যুবরণ করেছেন। জবানবন্দিতে নাসির উদ্দিন অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা ও তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদের নির্দেশে জুনাইদ আহ্মেদ পলক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তাঁর মতে, ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল হত্যাকাণ্ড ও গুমের তথ্য বিশ্ববাসীর কাছে প্রকাশ না করা এবং আন্দোলনকারীদের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা।
"শেখ হাসিনা ও তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদের নির্দেশে জুনাইদ আহ্মেদ পলক ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছিলেন। হত্যাকাণ্ড ও গুমের তথ্য যাতে বিশ্ববাসী জানতে না পারে এবং আন্দোলনকারীরা যাতে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করতে না পারেন, সে জন্যই ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তরা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল নাসির উদ্দিন, সামিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ আগস্ট ২০২৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!