📌 প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, 'বাংলাদেশ ফার্স্ট' নীতির মাধ্যমে দেশের পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সূচনা হয়েছে। জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক সম্প্রীতিকে কেন্দ্রে রেখে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি
ঢাকা, ২০ আগস্ট ২০২৬: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এখন থেকে জাতীয় স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে পরিচালিত হবে। তার নেতৃত্বে প্রণীত ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন এক দৃষ্টিভঙ্গির সূচনা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট, বাংলাদেশ ফর অল’ দর্শনের ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি পুনর্নির্মাণের ঘোষণা
- 📌 জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও পারস্পরিক সম্মানকে পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে স্থাপন
- 📌 প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে সরকারের বিশেষ উদ্যোগ
- 📌 চট্টগ্রাম বন্দরসহ কৌশলগত অবকাঠামোকে একক প্রভাবমুক্ত রাখার প্রতিশ্রুতি
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জ্বালানি, ওষুধশিল্প, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানান, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এখন থেকে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আলোকে পরিচালিত হবে। এই নীতির মূল লক্ষ্য হলো জাতীয় স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া এবং একই সঙ্গে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখা। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ অর্থ বাংলাদেশের স্বার্থ সবার আগে, তবে বাংলাদেশ সবার জন্যও।’
তিতুমীর উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ মর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে চায়। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্বের জন্য দেশ উন্মুক্ত থাকবে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে তিনি উল্লেখ করেন।
চট্টগ্রাম বন্দরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সরকার বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিনিয়োগ ও সহযোগিতার জন্য দেশের কৌশলগত সম্পদ উন্মুক্ত করছে। বাংলাদেশের কৌশলগত অবকাঠামো কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের একক প্রভাববলয়ের অংশ হয়ে উঠুক, তা সরকার চায় না বলে তিনি স্পষ্ট করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিতুমীর বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। তিনি জানান, জ্বালানি, ওষুধশিল্প, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি—এই চার খাত দুই দেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের আরও বেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে চায় বাংলাদেশ।
"বাংলাদেশ এমন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করবে, যা সংঘাতের পরিবর্তে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখবে। ক্রমেই বিভক্ত হয়ে পড়া বৈশ্বিক পরিবেশেও বাংলাদেশ গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে চায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!