📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

তিস্তা প্রকল্পে ১৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ: নিজস্ব অর্থায়নে শুরু হবে বাস্তবায়ন, ২০২৭ সালের মধ্যে উদ্বোধন

তিস্তা প্রকল্পে ১৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ: নিজস্ব অর্থায়নে শুরু হবে বাস্তবায়ন, ২০২৭ সালের মধ্যে উদ্বোধন

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিএনপি সরকার চীন-ভারতের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের বাইরে নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিচ্ছে। ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে ৭-৮ বছরে ১১০ কিলোমিটার নদী রক্ষা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ প্রকল্প উদ্বোধন করা হবে

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলার বন্যা ও শুকনো মৌসুমের খড়া সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার লক্ষ্যে তিস্তা প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে নিজস্ব অর্থায়নে। চীন-ভারতের ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বের বাইরে এ প্রকল্পে ১৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানিয়েছেন, প্রকল্পের মোট খরচ ১৪ থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা হবে এবং এটি ৭ থেকে ৮ বছরের মেয়াদে বাস্তবায়িত হবে। প্রতিবছর দুই হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের মাধ্যমে প্রকল্পটি সম্পন্ন করা হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ**: তিস্তা প্রকল্পের মোট খরচ ১৪-১৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
  • 📌 **৭-৮ বছরের প্রকল্প**: পদ্মা ব্যারেজের মতোই তিস্তা প্রকল্পের বাস্তবায়নে ৭ থেকে ৮ বছর সময় লাগবে।
  • 📌 **১১০ কিলোমিটার নদী রক্ষা**: প্রকল্পে ১১০ কিলোমিটার নদী তীর রক্ষা করা হবে, ৬৭টি গ্রোয়েন বা স্পার নির্মিত হবে।
  • 📌 **বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও ড্রেজিং**: বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ এবং ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হবে।
  • 📌 **২০২৭ সালের মধ্যে উদ্বোধন**: প্রকল্পের উদ্বোধন ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ করা হবে।
  • 📌 **নিজস্ব অর্থায়ন**: চীন, নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক পরামর্শকদের সহায়তায় প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।
  • 📌 **ভারতের বিরোধিতা নেই**: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জানান, ভারতের কোনো বিরোধিতা নেই।

📰 বিস্তারিত

তিস্তা প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো বর্ষাকালের উদ্ধৃত্ত পানি সংরক্ষণ করে শুকনো মৌসুমে কৃষি ও শিল্পের কাজে ব্যবহার করা। প্রকল্পের আওতায় ১১০ কিলোমিটার নদী তীর রক্ষা করা হবে এবং ৬৭টি গ্রোয়েন বা স্পার নির্মিত হবে। এছাড়াও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে অঞ্চলের মানুষকে ভাঙ্গন থেকে রক্ষা দেওয়া হবে। পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে পানিটা সংরক্ষণ করে শুকনো মৌসুমে অঞ্চলের মানুষকে সুবিধা প্রদান করা এবং তাদের ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করা।”

প্রকল্পের বাস্তবায়নে চীন, নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক পরামর্শকদের নকশা ও কারিগরি সম্ভাব্যতা সম্পর্কে পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জানান, “প্রকল্পের অর্থায়নে ভারতের কোনো বিরোধিতা নেই। আমরা নিজস্ব অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি।” মার্কিন রাষ্ট্রদূতও তিস্তা প্রকল্প এলাকায় পরিদর্শন করে বলেছেন, এখানে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই।

২০২৭ সালের শেষ নাগাদ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে। এছাড়াও, তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের জন্য সরকার চুক্তি করতে চায়। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ নতুন আশাবাদী। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সময় তিস্তা চুক্তিতে বড় বাধা ছিল, কিন্তু বর্তমান সরকারের সাথে নতুন আলোচনার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

"এখানে আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, পানিটা আমরা সংরক্ষণ করতে চাই এবং ওই অঞ্চলের মানুষ যেন শুকনা মৌসুমে সে সুবিধা পায় এবং ওই অঞ্চলের মানুষ যেন ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: তিস্তা নদী (উত্তরাঞ্চলের ৫ জেলা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ হাজার কোটি টাকা (মোট খরচ), ৭-৮ বছর (মেয়াদ), ১১০ কিলোমিটার (নদী রক্ষা), ৬৭টি (গ্রোয়েন/স্পার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖