📌 কৃষি ও মৎস্য মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার কৃষক ও ভোক্তাদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। তিনি নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের জন্য কীটনাশক নিয়ন্ত্রণ ও কৃষক প্রশিক্ষণের গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন
কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বাংলাদেশের কৃষক ও সাধারণ ভোক্তাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টি করছে বলে সতর্ক করেছেন কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেছেন, খাদ্যে অবশিষ্ট কীটনাশকের উপাদান জনস্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার কৃষক ও ভোক্তাদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- 📌 ২৫ অক্টোবর রাজধানীর ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের জন্য কীটনাশক নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য।
- 📌 বিশ্বের বহু দেশে ব্যবহৃত না হওয়া কীটনাশক বাংলাদেশে আমদানি ও বাজারজাত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকার পরীক্ষাব্যবস্থা ও নীতিমালা পর্যালোচনা করছে।
- 📌 কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে সরকার নিরাপদ উৎপাদন পদ্ধতি প্রসারিত করছে।
- 📌 মুরগির খাদ্যে অ্যান্টিবায়োটিক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সরকার কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করবে।
📰 বিস্তারিত
‘বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড’ আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত কৃষি ও মৎস্য মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ খাদ্যে থেকে গেলে তা জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। তিনি বলেন, ‘নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে হলে কীটনাশকের যথাযথ নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য।’
মন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশে এমন অনেক কীটনাশক আমদানি ও বাজারজাত করা হচ্ছে, যেগুলো বিশ্বের বহু দেশে ব্যবহার করা হয় না। তিনি বলেন, ‘কীটনাশক আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা ও পরীক্ষাব্যবস্থা পর্যালোচনা করে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হবে।’
মন্ত্রী বলেন, খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো নয়, উৎপাদিত খাদ্যকে নিরাপদ, পুষ্টিকর ও মানসম্মত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, খাদ্যের উৎপাদন ও বিপণনব্যবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।
কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সরকার নিরাপদ উৎপাদন পদ্ধতি প্রসারিত করছে। তিনি বলেন, ‘কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি জ্ঞান ও প্রশিক্ষণের অভাবে কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহারে সঠিক মাত্রা অনুসরণ করতে পারেন না।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ফসল উৎপাদনে রাসায়নিক সারের অতিরিক্ত ব্যবহার মাটির স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তিনি জমির প্রয়োজন অনুযায়ী সুষম সার ব্যবহার ও উত্তম কৃষিচর্চা অনুসরণের আহ্বান জানান।
পোলট্রি খাতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মুরগির খাদ্যে অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়েও কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদেরও সতর্ক হতে হবে।’
"নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৃষি ও মৎস্য মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!