📌 ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় প্রভাবশালী ব্যক্তির অবৈধ ড্রেজার দিয়ে পুকুর থেকে বালু উত্তোলনের কারণে পার্শ্ববর্তী এলাকায় বাড়িঘর ও রাস্তা ধসে পড়ছে। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন
ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলায় ক্ষমতার দাপটে প্রভাবশালী ব্যক্তির ব্যক্তিগত পুকুর থেকে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসতবাড়ি, রাস্তা ও গাছপালা ধসে পড়ছে। ভুক্তভোগীরা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় প্রভাবশালী ব্যক্তির অবৈধ বালু উত্তোলনে পার্শ্ববর্তী এলাকায় বাড়িঘর ও রাস্তা ধসে পড়ছে
- 📌 উপজেলার ২ নম্বর নেকমরদ ইউনিয়নের বামনবাড়ি এলাকায় গণি মিয়া নামে প্রভাবশালী ব্যক্তির ব্যক্তিগত পুকুর থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে
- 📌 অভিযোগ অনুসারে, প্রায় ২০টি বাড়ির অংশবিশেষ, টয়লেট, সীমানাপ্রাচীর ও গাছপালা ধসে পড়েছে
- 📌 এলাকার প্রধান সড়কটি ভাঙনের কবলে পড়ে চলাচল প্রায় বিচ্ছিন্ন হওয়ার উপক্রম হয়েছে
- 📌 ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার ২ নম্বর নেকমরদ ইউনিয়নের বামনবাড়ি এলাকায় প্রভাবশালী ব্যক্তি গণি মিয়া তাঁর ব্যক্তিগত পুকুর থেকে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছেন। এতে পার্শ্ববর্তী এলাকার প্রায় ২০টি বাড়ির অংশবিশেষ, টয়লেট, সীমানাপ্রাচীর ও গাছপালা ধসে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুকুরটির আয়তন প্রায় ২ একর। পুকুরটির কোনো পাড় না থাকায় পানির স্রোতে ভাঙনের ফলে পার্শ্ববর্তী জমি ও রাস্তা ধসে যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মিজান আলীসহ কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, তাঁদের বাড়িঘর ও চলাচলের একমাত্র রাস্তা ধসে যাওয়ার ফলে তাঁরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাঁরা বলেন, ‘আমাদের ভিটেমাটি ধসে যাচ্ছে, রাস্তা ভেঙে গেছে। আমরা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আমাদের ভিটেমাটি পুকুরে বিলীন হয়ে যাবে।’
পুকুরটির মালিকানা সম্পর্কে গণি মিয়া দাবি করেন, পুকুরটি প্রফুল্ল ও আনসার আলীর। তাঁর নিজের সামান্য জমি পুকুরে রয়েছে। অন্যদিকে প্রফুল্ল দাবি করেন, ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করেছেন গণি মিয়া এবং তাঁকেই এর সমাধান করতে হবে।
এ বিষয়ে রাণীশংকৈল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মজিবুর রহমান জানান, খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
‘আমাদের ভিটেমাটি ধসে যাচ্ছে, রাস্তা ভেঙে গেছে। আমরা বাধ্য হয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হয়তো আমাদের ভিটেমাটি পুকুরে বিলীন হয়ে যাবে।’ — ভুক্তভোগী মিজান আলী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: গণি মিয়া, মো. মিজান আলী, মজিবুর রহমান
- 🔢 ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির সংখ্যা: প্রায় ২০টি
- 🔢 পুকুরের আয়তন: প্রায় ২ একর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!