📌 ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁর তিন মাসের চিকিৎসা ছুটির আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে প্রশাসন। মানসিক চাপে ভুগে বিদ্যালয় ত্যাগ করেছে অভিযোগকারী শিক্ষার্থী
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান মডেল পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যৌন হয়রানি ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা মিলেছে তদন্তে। অভিযুক্ত শিক্ষক নুরুদ্দোহা সোহেল তিন মাসের চিকিৎসা ছুটির আবেদন করলেও তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। মানসিক চাপ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করেছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আলফাডাঙ্গা উপজেলার আরিফুজ্জামান মডেল পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে তদন্তে সত্যতা মিলেছে
- 📌 অভিযুক্ত শিক্ষক নুরুদ্দোহা সোহেল গণিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত
- 📌 শিক্ষার্থীর পরিবার গত ৫ আগস্ট ইউএনও ও বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করে
- 📌 তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ সত্য ও বাস্তবসম্মত’ উল্লেখ করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে
- 📌 অভিযুক্ত শিক্ষকের তিন মাসের চিকিৎসা ছুটির আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে উপজেলা প্রশাসন
📰 বিস্তারিত
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান মডেল পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যৌন হয়রানি ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা মিলেছে তদন্তে। অভিযুক্ত শিক্ষক নুরুদ্দোহা সোহেল গণিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ৫ আগস্ট শিক্ষার্থীর পরিবার ইউএনও ও বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করে। অভিযোগে বলা হয়, গণিত প্রাইভেট পড়ার সুযোগে শিক্ষক নুরুদ্দোহা সোহেল বিভিন্ন সময় হোয়াটসঅ্যাপে কুরুচিপূর্ণ বার্তা, অশ্লীল ভাষা ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন।
মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে শিক্ষার্থী বিষয়টি পরিবারকে জানায়। অভিযোগপত্রে হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের স্ক্রিনশট সংযুক্ত করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক তদন্ত শুরু করেন। তদন্ত শেষে দাখিল করা ১২ ফর্দের প্রতিবেদনে অভিযোগটিকে ‘সম্পূর্ণ সত্য ও বাস্তবসম্মত’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে শিক্ষকের চরম নৈতিক স্খলনের দায়ে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রশাসন প্রতিবেদনটি ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পাঠায়। প্রশাসনিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে অভিযুক্ত শিক্ষকের বেতন স্থগিত রাখা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর অভিযুক্ত শিক্ষক ছুটি নিয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পাঁয়তারা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রথমে তিন দিনের ছুটি নেওয়ার পর তিনি নতুন করে তিন মাসের চিকিৎসা ছুটির আবেদন জমা দিয়েছেন।
"তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষকের তিন মাসের চিকিৎসা ছুটির আবেদন অযৌক্তিক। তাই তাঁর এই ছুটির আবেদনের কোনো ফরওয়ার্ডিং পাঠানো হবে না এবং তাঁর বেতন স্থগিত করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আলফাডাঙ্গা, ফরিদপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নুরুদ্দোহা সোহেল (অভিযুক্ত শিক্ষক), শিক্ষার্থী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ মাস (ছুটির আবেদন), ৫ আগস্ট (অভিযোগ দাখিল), ১২ (তদন্ত প্রতিবেদনের ফর্দ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!