📌 টাঙ্গাইলের সখীপুরে স্থানীয়দের ঘর ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান ডিএফওকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এমরান আলীকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি বন বিভাগকে দালালমুক্ত করার ঘোষণা দেন
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বহেড়াতৈল রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান আলীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। রোববার দুপুরে হলুদিয়া চালা বাজারে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি ডিএফও নাজমুল আলমকে লাউড স্পিকারের মাধ্যমে সরাসরি নির্দেশ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এমরান আলীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী আহমেদ আযম খান
- 📌 হলুদিয়া চালা বাজারে স্থানীয়দের ঘর ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী
- 📌 বন বিভাগকে দালালমুক্ত করার ঘোষণা দেন মন্ত্রী
- 📌 অভিযুক্ত এমরান আলী দাবি করেন, তিনি শুধুমাত্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পালন করেছেন
- 📌 ৯ আগস্ট ভোরে বহেড়াতৈল ইউনিয়নের প্রায় ৬০ হাত দৈর্ঘ্যের একটি টিনের ঘর ভেঙে দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বহেড়াতৈল রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান আলীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। রোববার দুপুরে হলুদিয়া চালা বাজারে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি ডিএফও নাজমুল আলমকে লাউড স্পিকারের মাধ্যমে সরাসরি নির্দেশ দেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, এমরান আলী দালালদের সঙ্গে যোগসাজশে তাঁদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে ঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, "আমি বন বিভাগকে দালালমুক্ত করব। যেসব কর্মকর্তা ঘুষ খাবেন এবং ঘুষ না পেলেই মানুষের নামে মামলা করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" তিনি আরও বলেন, "আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষকে হয়রানি করতে দেব না। এলাকার মানুষ আশায় বুক বেঁধে আমাকে ভোট দিয়েছে। অতএব কাউকে হয়রানির শিকার হতে দেব না।"
৯ আগস্ট ভোরে বহেড়াতৈল ইউনিয়নের হলুদিয়াচালা বাজারে স্থানীয় বাসিন্দাদের তৈরি করা প্রায় ৬০ হাত দৈর্ঘ্যের একটি টিনের ঘর ভেঙে দেয় বন বিভাগ। স্থানীয়দের দাবি, ঘরটি যেখানে বানানো হয়েছিল, রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে তাঁরা সেই জমির মালিকানা পেয়েছেন। তবে বন বিভাগ বলছে, জমিটি সংরক্ষিত বন বিভাগের আওতাভুক্ত।
অভিযুক্ত এমরান আলী মোবাইল ফোনে জানান, তিনি শুধুমাত্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পালন করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।
"আমি যত দিন এমপি আছি, আমার এলাকার মানুষকে আমি হয়রানি করতে দেব না। আমি এই আটিয়া বন আইনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন আন্দোলন করেছি। এলাকার মানুষ আশায় বুক বেঁধে আমাকে ভোট দিয়েছে। অতএব কাউকে আমি হয়রানির শিকার হতে দেব না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সখীপুর, টাঙ্গাইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, এমরান আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা, ৯ আগস্ট, ৬০ হাত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!