📌 টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ ফেলার সময় পিকআপ জব্দ করেছে পুলিশ। ঘটনায় অভিযুক্ত স্টোরকিপারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় যমুনা নদীতে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ ফেলার সময় একটি পিকআপ জব্দ করেছে পুলিশ। বুধবার মধ্যরাতে উপজেলার গোবিন্দাসী টি-রোড এলাকায় স্থানীয়রা ওষুধ বহনকারী পিকআপ আটক করে চালক আজমতকে ধরে রাখেন। পরে পুলিশ ওষুধগুলো ভূঞাপুর থানায় নিয়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভূঞাপুর উপজেলায় যমুনা নদীতে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ ফেলার সময় ১৮ বস্তা ওষুধ জব্দ
- 📌 স্থানীয়রা পিকআপ আটক করে চালক আজমতকে ধরে রাখেন; অন্যরা পালিয়ে যায়
- 📌 ওষুধগুলো ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নেওয়া হয়েছিল বলে চালক জানান
- 📌 স্টোরকিপার মীর সেলিম নিয়ম না মেনে ওষুধগুলো নদীতে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন বলে অভিযোগ
- 📌 স্টোরকিপারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে; চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
📰 বিস্তারিত
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় যমুনা নদীতে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ ফেলার সময় একটি পিকআপ জব্দ করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে বুধবার মধ্যরাতে উপজেলার গোবিন্দাসী টি-রোড সংলগ্ন কালা সড়ক এলাকায়। স্থানীয়রা ওষুধ বহনকারী পিকআপ আটক করে চালক আজমতকে ধরে রাখেন। পরে পুলিশ পিকআপভ্যান ও ১৮ বস্তা ওষুধ ভূঞাপুর থানায় নিয়ে যায়।
ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম রেজাউল করিম জানান, চালক আজমত পুলিশকে জানিয়েছেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধগুলো ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে যমুনা নদীতে ফেলে দেওয়ার জন্য নেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জনকে জানানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু নাঈম মোহাম্মদ সোহেল জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধগুলো একটি কমিটির তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্যে ধ্বংস করার কথা ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, স্টোরকিপার মীর সেলিম নিয়ম না মেনে ওষুধগুলো নদীতে ফেলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। স্টোরকিপারকে ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
পাশাপাশি হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. আলমগীর হোসেনকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে কীভাবে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধগুলো বের করা হলো এবং কেন সেগুলো নদীতে ফেলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে বলে জানান ডা. সোহেল।
"মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধগুলো প্রকাশ্যে ধ্বংস করার কথা ছিল। স্টোরকিপার নিয়ম না মেনে ওষুধগুলো নদীতে ফেলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভূঞাপুর উপজেলা, টাঙ্গাইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্টোরকিপার মীর সেলিম, ডা. আবু নাঈম মোহাম্মদ সোহেল, এ কে এম রেজাউল করিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ বস্তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!