📌 নীলফামারীর সৈয়দপুরে দুই প্রধান সড়কের সংস্কার কাজে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। গত ১০ মাসে মাত্র ৩০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। যান চলাচলে ভোগান্তি ও ধুলাবালুতে স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে। প্রকল্পটি বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে
নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের দুই প্রধান সড়কের সংস্কার কাজে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। গত ১০ মাসে সড়ক দুটির মাত্র ৩০ শতাংশ সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ফলে যান চলাচলে ব্যাপক ভোগান্তি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৈয়দপুর শহরের তামান্না মোড় থেকে ওয়াপদা মোড় পর্যন্ত সাড়ে তিন কিমি শেরেবাংলা সড়ক এবং তুলশীরাম সড়কের সংস্কার কাজে ধীরগতি দেখা দিয়েছে।
- 📌 গত ১০ মাসে মাত্র ৩০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে পুরো প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে।
- 📌 সংস্কার কাজের কারণে সড়কে বালু ও ইট ফেলে রাখায় যান চলাচলের স্থান সংকুচিত হয়ে পড়েছে।
- 📌 নির্মাণকাজের ধুলাবালুতে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 শেরেবাংলা সড়কে ড্রেনের কাজ প্রায় শেষ হলেও ঢালাই ও কার্পেটিংয়ের কাজ পুরোপুরি শুরুই হয়নি।
- 📌 শহীদ জহুরুল হক সড়কে খানাখন্দ দেখা দিয়েছে, যেখানে সংস্কার কাজ এখনো শুরুই হয়নি।
📰 বিস্তারিত
নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের দুই প্রধান সড়কের সংস্কার কাজে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। গত ১০ মাসে সড়ক দুটির মাত্র ৩০ শতাংশ সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ফলে যান চলাচলে ব্যাপক ভোগান্তি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। শহরের তামান্না মোড় থেকে ওয়াপদা মোড় পর্যন্ত সাড়ে তিন কিলোমিটার শেরেবাংলা সড়ক এবং তুলশীরাম সড়কের (বিচালী হাটি মোড় থেকে বসুনিয়া মোড় পর্যন্ত) সংস্কার কাজ শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর।
বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত ‘রিজিলিয়েন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটরিয়াল প্রজেক্ট’ (আরইউডিপি)-এর আওতায় প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। প্রতিটি সড়কে প্রথম ৬০০ মিটার অংশে আরসিসি ঢালাই এবং বাকি ২ হাজার ৯০০ মিটার অংশে কার্পেটিং করার কথা ছিল। এছাড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ফুটপাত ও সড়কবাতি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
শেরেবাংলা সড়কে ড্রেনের কাজ প্রায় শেষ হলেও ঢালাইয়ের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। অন্যদিকে শহীদ জহুরুল হক সড়কে ড্রেনের কাজ শুরু হয়েছে মাত্র। শহরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, সংস্কার কাজের কারণে রাস্তায় প্রচুর ধুলাবালু উড়ছে। গোলহাট এলাকার সাইফুল ইসলাম বলেন, তাঁদের এলাকায় পুরোনো ইট দিয়ে সংস্কার কাজ চালানো হচ্ছে। এছাড়া আরসিসি ঢালাইয়ের পর নিয়ম অনুযায়ী পানি দিয়ে ভেজানো (কিউরিং) হচ্ছে না।
শহরের বাঁশবাড়ি এলাকার দুলাল হোসেন বলেন, শহীদ জহুরুল হক সড়কজুড়ে খানাখন্দ দেখা দিয়েছে। সংস্কার কাজ এখনো ঠিকমতো শুরুই হয়নি। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ইয়াসমিন পারভীন জানান, প্রতিদিন তাঁকে শেরেবাংলা সড়ক দিয়ে স্কুলে যেতে হয়। নির্মাণকাজ চলমান থাকায় প্রচুর ধুলাবালু উড়ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
"সংস্কার কাজ নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। ঠিকাদারকে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার তাগাদা দেওয়া হয়েছে। তাঁরা সময়মতো কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৈয়দপুর, নীলফামারী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়াসমিন পারভীন, সাইফুল ইসলাম, দুলাল হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ মাস, ৩০ শতাংশ, ২৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, ৬০০ মিটার, ২ হাজার ৯০০ মিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!