📌 সিলেটের গোয়াইনঘাটে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশের সামনেই কলিমুল্লাহ নামের এক ব্যক্তিকে তার ভাই ও ভাতিজারা কুপিয়ে হত্যা করেছে। ঘটনাস্থল থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার একটি গ্রামে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশের সামনেই কলিমুল্লাহ নামের এক ব্যক্তিকে তার ভাই ও ভাতিজারা কুপিয়ে হত্যা করেছে। ঘটনাস্থল থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশের সামনেই কলিমুল্লাহকে হত্যা করা হয়েছে।
- 📌 ঘটনাস্থল থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
- 📌 কলিমুল্লাহর মেয়েকে তার বড় ভাইয়ের ছেলে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
- 📌 হত্যাকাণ্ডের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তিনজন পুলিশ সদস্য।
📰 বিস্তারিত
গোয়াইনঘাট উপজেলার একটি গ্রামে প্রায় এক সপ্তাহ আগে কলিমুল্লাহর মেয়েকে তার বড় ভাই ছয়ফ উল্লাহর এক ছেলে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিসও অনুষ্ঠিত হয়। অভিযুক্তকে অন্যত্র বিয়ে করানোর প্রস্তুতি চলছিল। পরে শনিবার দুপুরে কলিমুল্লাহর স্ত্রী থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য তাঁদের সঙ্গে তিনজন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পুলিশ সদস্যরা ফিরে যাওয়ার প্রায় ১০ মিনিট পর কলিমুল্লাহকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে কলিমুল্লাহর আরেক ভাই আবদুল আজিজ জানান, পুলিশের সামনেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তিনি বলেন, চাইলে পুলিশ এই হত্যাকাণ্ড ঠেকাতে পারত। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আবদুল গফুরও একই তথ্য নিশ্চিত করেন।
গোয়াইনঘাট থানা সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন একজন এসআই ও দুইজন এএসআই। তাঁরা দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডটি তাঁদের সামনে ঘটেনি। এসআই নাইমুল হাসান জানান, পুলিশের উপস্থিতিতে হত্যার দাবি সত্য নয়। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওমর ফারুক মোড়ল জানান, মামলা দায়েরের পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ফিরে যাওয়ার পর হত্যাকাণ্ড ঘটে। খবর শোনামাত্র পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে একজনকে গ্রেপ্তার করে।
"ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পুলিশ সদস্যরা ফিরে যাওয়ার পর হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। খবর শোনামাত্র আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করি এবং একজনকে গ্রেপ্তার করি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোয়াইনঘাট, সিলেট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কলিমুল্লাহ, ছয়ফ উল্লাহ, আবদুল আজিজ, ওমর ফারুক মোড়ল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ (মিনিট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!