📌 সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগরে ট্যাংকলরি চাপায় একই পরিবারের তিনজনসহ চারজন নিহত এবং দুই শিশুসহ তিনজন গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনায় অটোরিকশা চালক লালন মিয়া নিহত হন
সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে ট্যাংকলরি ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ চারজন নিহত এবং তিনজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে মুমূর্ষু যাত্রীদের উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগরে ট্যাংকলরি চাপায় চারজন নিহত হন
- 📌 নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন: নিয়ামত আলী (৩৫), স্ত্রী অজুফা বেগম (৩০) ও ছোট মেয়ে আয়েশা আক্তার (৬)
- 📌 অটোরিকশা চালক লালন মিয়া (২৩) নিহত হন
- 📌 গুরুতর আহত দুই যাত্রীকে আইসিইউ ও শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা তেলবাহী ট্যাংকলরি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়। স্থানীয়রা সঙ্গে সঙ্গে চালকসহ অটোরিকশার সাত যাত্রীকে উদ্ধার করে কাছাকাছি হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মধ্যে নিয়ামত আলীর স্ত্রী অজুফা বেগম ও ছোট মেয়ে আয়েশা আক্তারসহ তিনজন একই পরিবারের সদস্য ছিলেন। তাদের একমাত্র ছেলে ইয়াকুব (৪) ও বড় মেয়ে মারিয়া (১০) গুরুতর আহত হন। অটোরিকশা চালক লালন মিয়া (২৩) নিহত হন। তিনি সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার শেরপুর মাঝেরবাড়ী গ্রামের মো. ফরিদ মিয়ার ছেলে।
আহত দুই যাত্রীর মধ্যে জাওয়াদ এহসান শুভকে (৩০) সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালের আইসিইউতে এবং ইয়াকুবকে হাসপাতালের ২৩ নম্বর শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
"দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে এসে জানতে পারি ভাই, ভাইয়ের বউ এবং ছোট ভাতিজি মারা গেছেন। একমাত্র ভাতিজা ও বড় ভাতিজি জীবিত। একজনের অবস্থা গুরুতর।" — গাজীরুল মিয়া, নিয়ামত আলীর বড় ভাই
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণগ্রাম, ওসমানীনগর, সিলেট
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: নিয়ামত আলী (৩৫), অজুফা বেগম (৩০), আয়েশা আক্তার (৬), লালন মিয়া (২৩)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন নিহত, ৩ জন গুরুতর আহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!