📌 রাজধানীর ভাসানটেক, করাইল ও সাততলা বস্তির প্রায় এক হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য আয়োজিত হয়েছিল বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা কর্মসূচি। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ও আল বাশার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে চিকিৎসা পরীক্ষা, চশমা ও ছানি অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়
রাজধানীর ভাসানটেক, করাইল ও সাততলা বস্তির প্রায় এক হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন। চক্ষু পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা বিতরণের পাশাপাশি ছানি রোগীদের শনাক্ত করে বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজধানীর ভাসানটেক, করাইল ও সাততলা বস্তির প্রায় এক হাজার মানুষ পেয়েছেন বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা
- 📌 চক্ষু পরীক্ষা, চিকিৎসা পরামর্শ, ওষুধ ও চশমা বিতরণের পাশাপাশি ছানি অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়
- 📌 জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ও আল বাশার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচি
- 📌 কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর ভাসানটেক সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে শনিবার (২২ আগস্ট) আয়োজিত দিনব্যাপী চক্ষু চিকিৎসা কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রায় এক হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষ। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে অনেকেই সময়মতো চক্ষু চিকিৎসা নিতে পারেন না। বিশেষ করে ছানি ও দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যায় ভুগছেন এমন অনেক মানুষ অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হন।
এই কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁদের কাছে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে চক্ষু পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা বিতরণ করা হয়। একইসঙ্গে ছানি রোগীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
"অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো মানুষ যেন প্রয়োজনীয় চক্ষু চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভাসানটেক সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ, রাজধানী
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ডা. জুবাইদা রহমান, অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় এক হাজার মানুষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!