📅 ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্মার্টফোন ব্যবহারের সময় কমাতে নিজস্ব লক্ষ্য নির্ধারণই শ্রেষ্ঠ উপায়: গবেষণা

স্মার্টফোন ব্যবহারের সময় কমাতে নিজস্ব লক্ষ্য নির্ধারণই শ্রেষ্ঠ উপায়: গবেষণা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 স্মার্টফোন ব্যবহারের সময় কমাতে নিজস্ব লক্ষ্য নির্ধারণ সবচেয়ে কার্যকর উপায় বলে প্রমাণিত হয়েছে। ভারত ও স্পেনের গবেষকদের যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিজেদের ইচ্ছেমতো লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন তারা দৈনিক গড়ে ৪৯ মিনিট স্ক্রিনটাইম কমাতে সক্ষম হয়েছেন

বর্তমান যুগে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ কাটে স্মার্টফোনের পর্দার দিকে তাকিয়ে। গবেষণা অনুসারে, একজন সাধারণ ব্যক্তি প্রতিদিন প্রায় ছয় ঘণ্টা ফোন ব্যবহার করেন এবং প্রতি ঘণ্টায় অন্তত দুবার ফোন আনলক করেন। অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারের কারণে মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এই সমস্যা সমাধানে ভারত ও স্পেনের গবেষকদের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এক গবেষণায় স্ক্রিনটাইম কমানোর সহজ ও কার্যকর কৌশলের সন্ধান মিলেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 একজন সাধারণ মানুষ প্রতিদিন প্রায় ছয় ঘণ্টা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন
  • 📌 গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা নিজস্ব লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন তারা দৈনিক গড়ে ৪৯ মিনিট স্ক্রিনটাইম কমাতে সক্ষম হন
  • 📌 নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা ব্যক্তিরা গড়ে মাত্র ২৩ মিনিট স্ক্রিনটাইম কমাতে পেরেছেন
  • 📌 কোনো লক্ষ্য নির্ধারণ না করা ব্যক্তিদের স্ক্রিনটাইম প্রতিদিন গড়ে ১১ মিনিট করে বৃদ্ধি পেয়েছে

📰 বিস্তারিত

সোশ্যাল সায়েন্স অ্যান্ড মেডিসিন সাময়িকীতে প্রকাশিত এই গবেষণা অনুসারে, মানুষ যখন নিজের ইচ্ছেমতো স্ক্রিনটাইম ব্যবহারের সময়সীমা নির্ধারণ করেন, তখন তারা তা মেনে চলার ক্ষেত্রে অধিক সফল হন। গবেষণার প্রধান বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করে গবেষকরা জানান, ব্যবহারকারীদের নিজস্ব লক্ষ্য নির্ধারণের সুযোগ দেওয়া হলে তা ডিজিটাল স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তাদের আগ্রহ ও সম্পৃক্ততা বহুগুণ বৃদ্ধি করে।

এই গবেষণার জন্য গবেষক দল ১৪৯ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে ৩৫ দিনব্যাপী একটি পরীক্ষা চালান। অংশগ্রহণকারীদের তিনটি ভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত করা হয়। প্রথম গ্রুপের ৫৫ জন অংশগ্রহণকারী নিজেদের ইচ্ছেমতো ১০, ২০ বা ৩০ শতাংশ স্ক্রিনটাইম কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেন। দ্বিতীয় গ্রুপের ৬২ জন অংশগ্রহণকারীকে ১৪ শতাংশ স্ক্রিনটাইম কমানোর নির্দিষ্ট লক্ষ্য দেওয়া হয়। অবশিষ্ট ৩২ জন অংশগ্রহণকারীকে কোনো ধরনের লক্ষ্য দেওয়া হয়নি, তবে তাদের ফোন ব্যবহারের তথ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিজস্ব লক্ষ্য নির্ধারণ করা ব্যক্তিরা সবচেয়ে ভালো ফলাফল অর্জন করেছেন। তারা প্রতিদিন গড়ে ৪৯ মিনিট স্ক্রিনটাইম কমাতে সক্ষম হন, যেখানে নির্দিষ্ট লক্ষ্য দেওয়া ব্যক্তিরা গড়ে মাত্র ২৩ মিনিট কমাতে পেরেছেন। প্রথম গ্রুপটি তাদের দৈনিক লক্ষ্য পূরণে ১১ শতাংশ বেশি সফল হয়েছে। অন্যদিকে কোনো লক্ষ্য নির্ধারণ না করা ব্যক্তিদের স্ক্রিনটাইম প্রতিদিন গড়ে ১১ মিনিট করে বৃদ্ধি পেয়েছে। গবেষণা শেষে দেখা যায়, নিজে লক্ষ্য নির্ধারণ করা ব্যক্তিরা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দৈনিক গড়ে প্রায় ১৬ মিনিট কম ফোন ব্যবহার অব্যাহত রাখেন।

"ব্যবহারকারীদের নিজস্ব লক্ষ্য নির্ধারণের সুযোগ দেওয়া হলে তা ডিজিটাল স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তাদের আগ্রহ ও সম্পৃক্ততা বহুগুণ বৃদ্ধি করে। নিজেদের ঠিক করা লক্ষ্যের প্রতি মানুষের ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা এবং অনুপ্রেরণা বেশি থাকে, যা লক্ষ্য অর্জনকে সহজ করে তোলে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভারত ও স্পেন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গবেষক দল ও অংশগ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবকরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪৯ জন অংশগ্রহণকারী, ৩৫ দিন, ৪৯ মিনিট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖