📌 চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পুরনো জাহাজের বিষাক্ত গ্যাসে নিহত হন নয়জন শ্রমিক। তাদের মধ্যে ছিলেন আট মাসের গর্ভবতী স্ত্রীকে রেখে কাজে যাওয়া পলাশ জলদাস। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পুরনো জাহাজ ভাঙার সময় বিষাক্ত গ্যাসে নয়জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ছিলেন আট মাসের গর্ভবতী স্ত্রীকে রেখে কাজে যাওয়া পলাশ জলদাস। ঘটনার পর তার আর ফেরা হয়নি, অনাগত সন্তানকেও দেখে যেতে পারেননি তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পুরনো জাহাজ ভাঙার সময় বিষাক্ত গ্যাসে নয়জন শ্রমিক নিহত হন
- 📌 নিহতদের একজন ছিলেন পলাশ জলদাস, যিনি আট মাসের গর্ভবতী স্ত্রীকে রেখে কাজে গিয়েছিলেন
- 📌 মতিউর রহমান সাজ্জাদ নামে আরও একজন নিহত হন, যিনি অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করতে গিয়েছিলেন
- 📌 দুর্ঘটনার পর দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞরা জাহাজটি পরিদর্শন করেছেন
- 📌 দুর্ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন, যাদের চিকিৎসা চলছে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় পুরনো জাহাজ ভাঙার সময় বিষাক্ত গ্যাসে নয়জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাহাজ ভাঙার সময় হঠাৎ করেই বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়। ফলে শ্রমিকরা দ্রুত পালাতে না পারায় ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে ছিলেন পলাশ জলদাস। তিনি ছিলেন দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তৃতীয়। তার বাবা দিনমজুরের কাজ করতেন এবং তিনি নিজে সেলুনে কাজ করতেন। বিবিসি বাংলাকে তার ভাই শুভ জলদাস বলেন, তারা দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি যে তার ভাই আর ফিরবে না।
অপর নিহত মতিউর রহমান সাজ্জাদ ছিলেন বিশ বছর বয়সী যুবক। তিনি মূলত জাহাজটিতে অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করতে গিয়েছিলেন। তার মামাতো ভাই মো. শাহজাহান জানান, সাজ্জাদের বাবা-মা দুজনেই অসুস্থ এবং তার তিন বোনের মধ্যে বড় বোন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি। সাজ্জাদ ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।
"তারা অক্সিজেন নিয়ে জাহাজে যাওয়ার পর আমার ভাই যেখানে জাহাজ কাটার কাজ হচ্ছিলে একেবারে সেখানে চলে গিয়েছিল। ফলে দুর্ঘটনার সময় সে আর বেরিয়ে আসতে পারে নাই। আটকা পড়ে সেখানেই মৃত্যু হয়েছে তার,"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পলাশ জলদাস, মতিউর রহমান সাজ্জাদ, শুভ জলদাস, মো. ফখরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ জন নিহত, ৫ জন আহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!