📌 সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বরাদ্দ ৬০০ বস্তা চালের মধ্যে ৮০ বস্তা লোপ পায়। অভিযানে ৫২০ বস্তা পাওয়া গেলেও প্যানেল চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান পলাতক। অন্য একটি ঘটনায় নারায়ণগঞ্জে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বাবা-ছেলেদের আহত করা হয়
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দ করা ৬০০ বস্তা চালের মধ্যে ৮০ বস্তা লোপ পায়। উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে শুধু ৫২০ বস্তা চাল পাওয়া গেলেও প্যানেল চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান পলাতক হয়ে পড়েন। অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বাবা ও দুই ছেলেকে আহত করার ঘটনায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬০০ বস্তা ত্রাণ চালের মধ্যে ৮০ বস্তা লোপ পায় — অভিযানে শুধু ৫২০ বস্তা পাওয়া যায়
- 📌 প্যানেল চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান পলাতক — অভিযোগে ডাকলেও তিনি উপজেলা কার্যালয়ে আসেননি
- 📌 ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৫৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ — প্রতি ব্যক্তির জন্য ৩০ কেজি চালের কথা
- 📌 বাঘুটিয়া ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দ ১৮ মেট্রিক টন চাল — সিলগালা করা হয়েছে লোপ পাওয়ায়
- 📌 নারায়ণগঞ্জে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বাবা-ছেলেদের আহত — পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের
📰 বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বরাদ্দ করা ৬০০ বস্তা চালের মধ্যে ৮০ বস্তা লোপ পায়। উপজেলা প্রশাসনের গোপন অভিযানে শুধু ৫২০ বস্তা চাল পাওয়া গেলে সেগুলো সিলগালা করা হয়েছে। অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমানকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ডাকা হলেও তিনি আসেননি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান শাকিল জানান, ‘আমরা ৬০০ বস্তা চাল না পেয়ে ৫২০ বস্তা পেয়েছি। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’
২০২৫-২৬ অর্থবছরে চৌহালী উপজেলার সাত ইউনিয়নের জন্য মোট ৫৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছিল। প্রতি ব্যক্তির জন্য ৩০ কেজি করে বিতরণের কথা ছিল। বাঘুটিয়া ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ১৮ মেট্রিক টন বা ৬০০ বস্তা চাল। তবে বরাদ্দের চালের মধ্যে ৮০ বস্তা কালোবাজারে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠে। প্রশাসনের নজরে এসে অভিযান চালানো হয়।
অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পৈতৃক সম্পত্তি নির্মাণে বাধা দেওয়ায় বাবা ও তাঁর দুই ছেলেকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় ভুক্তভোগী নবীর হোসেন সোনারগাঁও থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
"আমরা ৬০০ বস্তা চাল না পেয়ে ৫২০ বস্তা পেয়েছি। প্যানেল চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমানকে আজ ডাকা হয়েছিল। তবে তিনি আসেননি। তিনি পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।"
"বরাদ্দের চালের মধ্যে ৮০ বস্তা কালোবাজারে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চৌহালী উপজেলা (সিরাজগঞ্জ), সোনারগাঁও থানা (নারায়ণগঞ্জ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাইদুর রহমান, মো. মেহেদী হাসান শাকিল (ইউএনও), নবীর হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০০ বস্তা (বরাদ্দ), ৮০ বস্তা (লোপ), ৫২০ বস্তা (অভিযানে পাওয়া), ৫৮ মেট্রিক টন (মোট বরাদ্দ), ৩০ কেজি (প্রতি ব্যক্তির জন্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!