📅 ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জাতিসংঘে আর্জেন্টিনা: ফকল্যান্ড দ্বীপের সার্বভৌমত্ব দাবিতে ব্রিটেনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ

জাতিসংঘে আর্জেন্টিনা: ফকল্যান্ড দ্বীপের সার্বভৌমত্ব দাবিতে ব্রিটেনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে ব্রিটেনের বিরুদ্ধে তীব্র বক্তব্য রাখেন। তিনি দ্বীপের তেল উত্তোলনকে অবৈধ ঘোষণা করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি জাতিসংঘকে 'অকার্যকর' সংগঠন হিসেবে সমালোচনা করেন

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের মালিকানার বিষয়ে ব্রিটেনের বিরুদ্ধে তীব্র বার্তা দেন। দক্ষিণ আটলান্টিকের এই দ্বীপপুঞ্জকে আর্জেন্টিনা 'মালভিনাস' নামে দাবি করে এবং ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রণকে অবৈধ ঘোষণা করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **জাতিসংঘে তীব্র বক্তব্য**: আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের মালিকানার দাবি পুনরায় জোরালোভাবে তুলে ধরেন এবং ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রণকে 'অবৈধ' বলে আখ্যা দেন।
  • 📌 **তেল উত্তোলন নিষিদ্ধ**: ৪৫ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি ১৭ সেপ্টেম্বর কংগ্রেসে কঠোর আইন প্রণয়নের ঘোষণা দেন।
  • 📌 **জাতিসংঘের সমালোচনা**: মিলেই জাতিসংঘকে 'অকার্যকর' সংগঠন হিসেবে সমালোচনা করে এবং এর আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সমালোচনা করেন।
  • 📌 **ফকল্যান্ডের জনগোষ্ঠী**: মিলেই বলেন, ব্রিটেন ১৮৩৩ সালে দ্বীপে বসতি স্থাপনের পর সেখানকার জনগোষ্ঠীকে 'ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর সেখানে বসতি গড়া' হিসেবে দেখেন।
  • 📌 **মার্কিন অবস্থানের পরিবর্তন**: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফকল্যান্ড ইস্যুতে নিরপেক্ষ অবস্থান পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিতের পর মিলেই দাবি আরও জোরালো করেন।

📰 বিস্তারিত

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের মালিকানার বিষয়ে ব্রিটেনের বিরুদ্ধে তীব্র বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে মালভিনাস একটি জাতীয় ইস্যু’। মিলেই ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের আশপাশে তেল ও অন্যান্য জীবাশ্ম জ্বালানি উত্তোলনের প্রচেষ্টাকে ‘অবৈধ ও অবৈধভাবে পরিচালিত’ কার্যক্রম হিসেবে আখ্যা দেন।

১৮৩৩ সাল থেকে ব্রিটেন ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ন্ত্রণ করছে। ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনার সামরিক জান্তা দ্বীপগুলো দখলের চেষ্টা করলে দুই দেশের মধ্যে ৭৪ দিনের যুদ্ধ শুরু হয়। ব্রিটেন যুদ্ধে জয়ী হয়। এরপর থেকে বিরোধটি তুলনামূলকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে তেল অনুসন্ধানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বেড়েছে।

চলতি মাসের শুরুতে মিলেই ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জে তেল অনুসন্ধান ও উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন। ৪ সেপ্টেম্বর আর্জেন্টিনা সরকার জানায়, দ্বীপপুঞ্জে হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধান ও উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ৪৫ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞামূলক প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর আর্জেন্টিনা সরকার দেশটির কংগ্রেসে আরও কঠোর আইন প্রস্তাব করে। এতে ফকল্যান্ডসহ আর্জেন্টিনার দাবি করা সামুদ্রিক এলাকায় অনুমতি ছাড়া প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তি বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে মিলেই দ্বীপগুলোর প্রায় ৩ হাজার ৬০০ বাসিন্দার প্রসঙ্গও তোলেন। তিনি বলেন, ব্রিটেন ১৮৩৩ সালে দ্বীপপুঞ্জের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সেখানে ব্রিটিশ জনগোষ্ঠীকে বসতি স্থাপন করানো হয়। তাই তিনি তাদেরকে ‘ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর সেখানে বসতি গড়া’ জনগোষ্ঠী হিসেবে দেখছেন। ২০১৩ সালের এক গণভোটে দ্বীপবাসী বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ব্রিটেনের অধীনেই থাকার পক্ষে ভোট দিয়েছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফকল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নিরপেক্ষ অবস্থান পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিতের পর মিলেই দাবি আরও জোরালো করেন। তবে মিলেইয়ের বক্তব্যের সবচেয়ে তীব্র অংশ ছিল জাতিসংঘকে ঘিরে তাঁর সমালোচনা। তিনি জাতিসংঘকে একটি ‘অকার্যকর সংগঠন’ হিসেবে আখ্যা দেন এবং অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানটি এমন আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে, যার উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ন্ত্রণ করা।

"আমাদের কাছে মালভিনাস একটি জাতীয় ইস্যু। দ্বীপপুঞ্জের আশপাশে তেল ও অন্যান্য জীবাশ্ম জ্বালানি উত্তোলনের প্রচেষ্টাকে আমি ‘অবৈধ ও অবৈধভাবে পরিচালিত’ কার্যক্রম হিসেবে আখ্যা দিচ্ছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ, দক্ষিণ আটলান্টিকের ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (মালভিনাস)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই, ব্রিটেনের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৪ দিন (১৯৮২ সালের যুদ্ধ), ৪৫ জন (নিষেধাজ্ঞায় আক্রান্ত ব্যক্তি), ৩ হাজার ৬০০ (দ্বীপের বাসিন্দা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖