📌 সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় ৬৫ জন চরমপন্থি সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীনসহ বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় ৬৫ জন চরমপন্থি সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন। এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানটি সিরাজগঞ্জের নিরাপত্তা ও পুনর্বাসন কর্মসূচির একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় ৬৫ জন চরমপন্থি সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১২-এর সদর দপ্তরে
- 📌 অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিস ফারজানা শারমীন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আমিরুল ইসলাম খান আলিম
- 📌 আত্মসমর্পণকারীদের একজন মো. মাজেদ আলী মুন্সী বলেছেন, ‘অন্ধকারের পথ ছেড়ে আলোর পথে আসতে পেরে আজ খুবই ভালো লাগছে’
- 📌 পুনর্বাসনের মাধ্যমে তাদের পরিবার ও সমাজের সঙ্গে পুনরায় সম্পৃক্ত করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে
📰 বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১২-এর সদর দপ্তরে ‘নতুন পথে প্রত্যাবর্তন: চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণ-২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ৬৫ জন চরমপন্থি সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। এই অনুষ্ঠানে পুনর্বাসনের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেছেন তারা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিস ফারজানা শারমীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের সংসদ সদস্য মো. আমিরুল ইসলাম খান আলিম, এসআরবি ফোর্সেসের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবিব পলাশ, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) কর্নেল ইফতেখার আহমেদ, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ এবং রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) শাহানা আখতার জাহান।
সভাপতিত্ব করেন এসআরবি-১২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আতিকুর রহমান মিয়া। সঞ্চালনা করেন স্কোয়াড্রন লিডার ফিরোজ। এ সময় সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সান্তুসহ এসআরবি ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আত্মসমর্পণকারীদের একজন মো. মাজেদ আলী মুন্সী বলেন, ‘অন্ধকারের পথ ছেড়ে আলোর পথে আসতে পেরে আজ খুবই ভালো লাগছে।’ আরেক আত্মসমর্পণকারী আইনুল হোসেন বলেন, ‘ভুল পথে চলতে চলতে অনেক কিছু হারিয়েছি। এভাবে ১৫ বছর কেটে গেছে। আমার সাথি ভাইয়েরা অনেক সময় বলতেন, অনেক দিন ধরে বাড়িতে যাওয়া হয় না।’
আত্মসমর্পণকারীদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের পরিবার ও সমাজের সঙ্গে পুনরায় সম্পৃক্ত করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। আত্মসমর্পণকারীদের একজন মো. আলম সেখ বলেছেন, ‘আমরা একসময় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতাম। যখন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও পেতাম না, তখন অনেকেই দস্যুবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়তেন।’
"অন্ধকারের পথ ছেড়ে আলোর পথে আসতে পেরে আজ খুবই ভালো লাগছে"
"ভুল পথে চলতে চলতে অনেক কিছু হারিয়েছি। এভাবে ১৫ বছর কেটে গেছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ, উল্লাপাড়া উপজেলা, সলঙ্গা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিস ফারজানা শারমীন (প্রতিমন্ত্রী), মো. আমিরুল ইসলাম খান আলিম (সংসদ সদস্য), মো. মাজেদ আলী মুন্সী (আত্মসমর্পণকারী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫ জন আত্মসমর্পণকারী, ১৫ বছর (সহিংসতা), ১৪টি চরমপন্থি সংগঠন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!