📌 শেরপুর পৌরসভা কার্যালয়ের ছাদবাগান জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। চার হাজার ৮৮০ বর্গফুটের এই বাগানে রয়েছে ১০ প্রজাতির বনজ, ২০ প্রজাতির ফলদ, ১৮ প্রজাতির ভেষজসহ বিভিন্ন বিরল প্রজাতির গাছ। উদ্যোগটির নেতৃত্ব দেন উপপরিচালক আরিফা সিদ্দিকা
শেরপুর পৌরসভা কার্যালয়ের ছাদে গড়ে ওঠা সবুজ উদ্যানটি জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার লাভ করেছে। চার হাজার ৮৮০ বর্গফুট আয়তনের এই বাগানে রয়েছে নানা প্রজাতির ফুল, ফল, ভেষজ ও বিরল গাছ। পরিকল্পিত বিন্যাস ও নিয়মিত পরিচর্যার স্বীকৃতি হিসেবে বাগানটি তৃতীয় স্থান অধিকার করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতীয় পুরস্কার লাভ করেছে শেরপুর পৌরসভার ছাদবাগান
- 📌 বাগানের আয়তন চার হাজার ৮৮০ বর্গফুট
- 📌 রয়েছে ১০ প্রজাতির বনজ, ২০ প্রজাতির ফলদ ও ১৮ প্রজাতির ভেষজ গাছ
- 📌 উপপরিচালক আরিফা সিদ্দিকা নেতৃত্ব দেন উদ্যোগটির
- 📌 পুরস্কার গ্রহণ করেন আরিফা সিদ্দিকা
📰 বিস্তারিত
২০২০ সালে ছোট পরিসরে শুরু হওয়া ছাদবাগানটি ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছে একটি নান্দনিক উদ্ভিদ উদ্যানে। বর্তমানে বাগানটিতে রয়েছে প্রায় ২০০ প্রজাতির ফুল ও শোভাবর্ধনকারী গাছ। এছাড়া রয়েছে নয় প্রজাতির দেশীয় বিলুপ্তপ্রায় গাছ, দশ প্রজাতির অর্কিড ও সাত প্রজাতির বিরল প্রজাতির গাছ।
বাগানটির বৈজ্ঞানিক নামসহ পরিচিতি ফলক থাকায় দর্শনার্থীরা গাছ সম্পর্কে সহজেই জানতে পারছেন। পুরো বাগানটিকে ফুল, ফল, সবজি ও ভেষজ—এমন বিভিন্ন কর্নারে বিভক্ত করা হয়েছে। চৌবাচ্চার পানিতে ফুটছে পদ্ম ও শাপলা, আর ঝুলন্ত টবে শোভা পাচ্ছে অর্কিড।
"শুধু টাকা খরচ করলেই বাগান করা যায় না। এর জন্য রুচিশীল মানসিকতা, পরিকল্পনা ও নিয়মিত পরিচর্যা প্রয়োজন। জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত হওয়া আনন্দের বিষয়।" — মো. মামুনুর রশিদ পলাশ, শেরপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক
ছাদবাগানটির উদ্যোগটি শুধু সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করেনি, নগর এলাকায় সবুজায়নের একটি আদর্শ উদাহরণ হয়ে উঠেছে। সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরকে পর্যটনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শেরপুর পৌরসভা কার্যালয়, শেরপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরিফা সিদ্দিকা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চার হাজার ৮৮০ বর্গফুট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!