📌 শেরপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মধ্যরাতে গোপনে মিছিল ও পুষ্পস্তবক অর্পণের কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ সুপার জানান, তারা প্রত্যন্ত এলাকায় রাতের আঁধারে কর্মসূচি পালন করে ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করছিলেন
শেরপুর জেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মধ্যরাতের আঁধারে গোপনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করেছেন। এসব ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। সূত্র জানায়, নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটির নেতাকর্মীরা ফেসবুকে বিভিন্ন স্থানে মশাল মিছিল, শোক মিছিল ও শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের ভিডিও প্রকাশ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শেরপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মধ্যরাতে গোপনে কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করেন
- 📌 জেলার বিভিন্ন স্থানে মশাল মিছিল, শোক মিছিল ও পুষ্পস্তবক অর্পণের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ
- 📌 ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি পালনের ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন শেরপুর পৌর ছাত্রলীগের সহসভাপতি খোকন ইসলাম (২০), আতাউল ওরফে জুয়েল (৪৬), সোহেল রানা (২৫), মাইনুদ্দিন (৩৫), মো. আজাহার আলী (৩৬) ও মুসলিম উদ্দিন ওরফে আরাফাত (১৯)
- 📌 পুলিশ সুপার জানান, নেতাকর্মীরা প্রত্যন্ত গ্রামে রাতের আঁধারে কর্মসূচি পালন করে ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করছিলেন
📰 বিস্তারিত
শেরপুর জেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মধ্যরাতের আঁধারে গোপনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করেছেন। এসব ঘটনায় জেলা পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। সূত্র জানায়, নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটির নেতাকর্মীরা ফেসবুকে বিভিন্ন স্থানে মশাল মিছিল, শোক মিছিল ও শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের ভিডিও প্রকাশ করেন।
পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত নেতাকর্মীরা সবসময় গোপনে কাজ করে। তারা প্রত্যন্ত গ্রামে রাতের আঁধারে মিছিল করে দুই-তিন দিন পর তা সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করছিলেন। তবে পুলিশের তৎপরতায় তারা এখন আর প্রধান সড়কে মিছিল করতে পারছেন না। তিনি আরও বলেন, তারা মূলত টাকার বিনিময়ে কিছু শ্রমিক শ্রেণি এবং স্কুলপড়ুয়া ছেলেদের দিয়ে মিছিল করান। যার কারণে তাদের ধরে আইনের আওতায় আনা কঠিন হয়ে পড়ছে।
গত ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি পালনের ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—শেরপুর পৌর ছাত্রলীগের সহসভাপতি খোকন ইসলাম (২০), সদর উপজেলার চর শেরপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতাউল ওরফে জুয়েল (৪৬), নালিতাবাড়ী উপজেলার ননী ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সোহেল রানা (২৫) ও রুপনারায়ণকুড়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাইনুদ্দিন (৩৫), ঝিনাইগাতী উপজেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক মো. আজাহার আলী (৩৬) এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য মুসলিম উদ্দিন ওরফে আরাফাত (১৯)।
"নিষিদ্ধ ঘোষিতরা সবসময় গোপনে কাজ করে। তারা প্রত্যন্ত গ্রামে রাতের আঁধারে মিছিল করে দুই-তিন দিন পর তা পোস্ট করছে। তবে আমাদের তৎপরতায় এখন কোনো প্রধান সড়কে মিছিল করতে পারছে না। প্রতিরাতেই আমাদের অভিযান চলছে। তারা মূলত টাকার বিনিময়ে কিছু শ্রমিক শ্রেণি এবং ইনোসেন্ট স্কুলপড়ুয়া ছেলেদের দিয়ে মিছিল করায়। যে কারণে তাদের ধরে আইনের আওতায় আনা কঠিন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শেরপুর জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: একেএম জহিরুল ইসলাম (পুলিশ সুপার), খোকন ইসলাম, আতাউল ওরফে জুয়েল, সোহেল রানা, মাইনুদ্দিন, মো. আজাহার আলী, মুসলিম উদ্দিন ওরফে আরাফাত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ (গ্রেপ্তার), ১৪ আগস্ট, ২০, ৪৬, ২৫, ৩৫, ৩৬, ১৯
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!