📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শরীয়তপুরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পরকীয়া অভিযোগে বাধ্যতামূলক অবসর

শরীয়তপুরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পরকীয়া অভিযোগে বাধ্যতামূলক অবসর

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়া তার সহকর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে বাধ্যতামূলক অবসরে গেছেন। বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে

ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরের ৮৭ নম্বর আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়া তার সহকর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক ও অসদাচরণের অভিযোগে বাধ্যতামূলক অবসরে গেছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আব্দুল আজিজ স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরের ৮৭ নম্বর আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়াকে বাধ্যতামূলক অবসরে দেওয়া হয়েছে
  • 📌 অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তাকে গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে
  • 📌 অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে প্রধান শিক্ষকের সহকর্মীর স্ত্রী শাহানাজের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক ও অশ্লীল ইমু চ্যাটিং
  • 📌 প্রধান শিক্ষক আলী আসাদ মিয়া দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে কোনো চিঠি তার কাছে আসেনি

📰 বিস্তারিত

শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরে অবস্থিত ৮৭ নম্বর আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়ার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, তিনি তার সহকর্মী দেলোয়ার হোসেন মোল্লার সাবেক স্ত্রী শাহানাজের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত ছিলেন এবং অশ্লীল ইমু চ্যাটিং করেছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে দুই শিক্ষকের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের নজরে আসলে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রধান শিক্ষককে অভিযোগনামা ও কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন। প্রধান শিক্ষক লিখিত জবাব প্রদান করেন এবং ব্যক্তিগত শুনানিতেও অংশ নেন। তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তার জবাব কর্তৃপক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। ফলে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী তাকে বাধ্যতামূলক অবসরের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, বিভাগীয় কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত চিঠিটি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন। অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক আলী আসাদ মিয়া দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে কোনো চিঠি তার কাছে আসেনি এবং বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

"বাধ্যতামূলক অবসরের বিষয়ে আমার জানা নেই। আমার কাছে কোনো চিঠি আসেনি। যদি এমন কিছু হয়ে থাকে তাহলে আপনাদের জানাব।" — মো. আলী আসাদ মিয়া

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভেদরগঞ্জ উপজেলা, শরীয়তপুর জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আলী আসাদ মিয়া (প্রধান শিক্ষক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৭ (বিদ্যালয়ের নম্বর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖