📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সন্তানকে ভালোবাসা আর সংবেদনশীলতাই পারে সঠিক পথ দেখাতে: মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ

সন্তানকে ভালোবাসা আর সংবেদনশীলতাই পারে সঠিক পথ দেখাতে: মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান বলেছেন, সন্তানের নেতিবাচক আচরণ শাসনের মাধ্যমে নয়, বরং ভালোবাসা ও সংবেদনশীলতার মাধ্যমেই তাদের সঠিক পথে আনতে হবে

২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর প্রথম আলো ট্রাস্ট আয়োজিত মাদকবিরোধী পরামর্শ সভায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান সন্তানদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে মা-বাবার ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সন্তানের নেতিবাচক আচরণ শাসনের পরিবর্তে ভালোবাসা ও সংবেদনশীলতার মাধ্যমে শুধরে দিতে হবে
  • 📌 ক্রমাগত সমালোচনা বা তির্যক কথা বললে সন্তানের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে পারে
  • 📌 সন্তানের উদ্বেগের কারণগুলো তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে
  • 📌 বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা অত্যন্ত সংবেদনশীল বলে উল্লেখ করেন তিনি

📰 বিস্তারিত

প্রথম আলো ট্রাস্টের আয়োজনে অনুষ্ঠিত অনলাইন মাদকবিরোধী পরামর্শ সভায় অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান বলেন, সন্তানরা জীবনের চলার পথে ভুল করতে পারে। তবে তাদের দূরে ঠেলে না দিয়ে মা-বাবাকে অবশ্যই পাশে থাকতে হবে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, কঠিন শাস্তি দিয়ে কখনোই কোনো সমস্যার সমাধান হয় না।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সন্তানের নেতিবাচক আচরণকে শাসনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা না করে বরং ভালোবাসা ও সংবেদনশীলতার মাধ্যমে তাকে শুধরে দেওয়ার পরামর্শ দেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, মা-বাবার উদ্বেগের কারণগুলো সন্তানকে বুঝিয়ে বলতে হবে যাতে তারা নিজেদের ভুলগুলো উপলব্ধি করতে পারে।

বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা অত্যন্ত সংবেদনশীল উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের তির্যক সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকতে হবে। ক্রমাগত খোঁচা দিয়ে কথা বললে মা-বাবার সঙ্গে সন্তানের দূরত্ব আরও বেড়ে যেতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।

"সন্তানরা জীবন চলার পথে ভুল করতেই পারে, তাই বলে তাদের দূরে ঠেলে না দিয়ে মা-বাবাকে পাশে থাকতে হবে। কঠিন শাস্তি দিয়ে কখনোই সমস্যার সমাধান হয় না। সন্তানের নেতিবাচক আচরণ শাসন দিয়ে নয়, বরং ভালোবাসা দিয়ে শুধরে দিতে হবে এবং মা-বাবার উদ্বেগের কারণটি তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: অনলাইন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. ফারজানা রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖