📌 ২০৩০ সালের মধ্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনের সময়সীমা বাকি চার বছর। চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক জনসম্মিলনে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা দাবি করেছেন, বৈশ্বিক সংকটের কারণে এসডিজি অগ্রগতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে নেই। তারা সরকারকে অর্থায়ন নিশ্চিত ও দারিদ্র্য কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন
২০৩০ সালের মধ্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনের সময়সীমা বাকি মাত্র চার বছর। কিন্তু বৈশ্বিক ও জাতীয় সংকটের কারণে এসডিজি অগ্রগতির গতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে নেই। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আগামী চার বছরে সরকারের জন্য এসডিজি বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। গত শনিবার চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত ‘রিজিওনাল পিপলস অ্যাসেম্বলি ২০২৬’-এ এসডিজি অ্যাকশন অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ, এনআরডিএস ও আইএসডিই বাংলাদেশ যৌথভাবে এই তাগিদ দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৭টি এসডিজি লক্ষ্যের মধ্যে দারিদ্র্য, ক্ষুধা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে বর্তমান অগ্রগতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে নেই
- 📌 **২০১৫ সালে জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবায়নে জোরদার পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে
- 📌 **গুরুত্বপূর্ণ অর্থায়ন নিশ্চিতকরণ ও সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে জবাবদিহি বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে
- 📌 **জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এসডিজির সূচকভিত্তিক অগ্রগতি প্রকাশের দাবি করা হয়েছে
- 📌 **দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে
- 📌 **উন্নয়ন পরিকল্পনায় নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, দরিদ্র ও জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে
- 📌 **‘কাউকে পেছনে না রাখা’ নীতিকে উন্নয়ন পরিকল্পনার কেন্দ্রে রাখতে হবে বলে দাবি করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
‘গ্লোবাল কল টু অ্যাকশন অ্যাগেইনস্ট পোভার্টি’ ও ‘পিপল রাইজিং টু অ্যান্ড ইনইকুয়ালিটিজ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবং ‘গ্লোবাল অ্যাকশন উইক অন এসডিজি’ উপলক্ষে এসডিজি অ্যাকশন অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ, এনআরডিএস ও আইএসডিই বাংলাদেশ যৌথভাবে ‘রিজিওনাল পিপলস অ্যাসেম্বলি ২০২৬’ আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, ২০১৫ সালে জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে ১৭টি এসডিজি লক্ষ্য অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এতে দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূর করা, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, লিঙ্গসমতা, বৈষম্য কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করা ছিল মূল লক্ষ্য। কিন্তু বৈশ্বিক সংকটের কারণে এসব লক্ষ্যের অগ্রগতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে নেই।
বক্তারা বলেছেন, এখন নতুন প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি বিদ্যমান প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে জোর দিতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে জবাবদিহি বাড়াতে হবে। জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও এসডিজির সূচকভিত্তিক অগ্রগতি প্রকাশ করা প্রয়োজন। এতে স্থানীয় পর্যায়ে কোন লক্ষ্যে কতটা অগ্রগতি হচ্ছে, তা জানা যাবে।
এছাড়াও, দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে কার্যকর ও সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন বক্তারা। একই সঙ্গে উন্নয়ন পরিকল্পনায় নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, দরিদ্র ও জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। বক্তারা বলেছেন, উন্নয়নের সুফল থেকে কাউকে পিছিয়ে রাখা যাবে না। তাই ‘কাউকে পেছনে না রাখা’ নীতিকে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের কেন্দ্রে রাখতে হবে।
"২০৩০ সালের মধ্যে ১৭টি এসডিজি লক্ষ্য অর্জনের সময়সীমা বাকি চার বছর। এ সময়কে কাজে লাগাতে হলে এসডিজি অর্জনে গতি বাড়ানো, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত এবং দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এস এম নাজের হোসাইন (ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিইর নির্বাহী পরিচালক), আবদুল আওয়াল (এসডিজি অ্যাকশন অ্যালায়েন্সের সমন্বয়ক ও এনআরডিএসের নির্বাহী পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭টি এসডিজি লক্ষ্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!