📌 ইউএন সেক্রেটারি জেনারেল পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে প্রত্যাহার করে নেন প্রাক্তন চিলির প্রেসিডেন্ট মিশেল বাচেলেট। তিনি ইনফরমাল পোলে মাত্র এক ভোট পান, যা তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় খুব কম। বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্টোনিও গুতেরেসের পদচ্যুতি ঘটবে ৩১ ডিসেম্বর
ইউএন সেক্রেটারি জেনারেল পদে প্রথম মহিলা নেতা হওয়ার স্বপ্নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন প্রাক্তন চিলির প্রেসিডেন্ট মিশেল বাচেলেট। কিন্তু ইনফরমাল পোলে খুব কম ভোট পাওয়ার কারণে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে প্রত্যাহার করে নেন। ৭৪ বছর বয়সী বাচেলেট শনিবার ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করে এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “আজ আমি ঘোষণা করছি যে আমি ইউনাইটেড নেশনসের সেক্রেটারি জেনারেল পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাব না।”
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **মিশেল বাচেলেট** ইউনাইটেড নেশনসের সেক্রেটারি জেনারেল পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে প্রত্যাহার করেন। তিনি ইনফরমাল পোলে মাত্র **১টি উৎসাহিতকর ভোট** পান, **১১টি বিরোধী ভোট** এবং **৩টি মতামত নেই** ভোট পান।
- 📌 **কোস্টা রিকার রেবেকা গ্রিন্স্পান** (ইউএন ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের প্রধান) **৯টি উৎসাহিতকর ভোট** পেয়ে প্রথম স্থানে অবস্থান করছেন, তার পিছনে **গায়ানার কারোলাইন রড্রিগেজ-বির্কেট** **৮টি ভোট** পেয়ে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছেন।
- 📌 **রাফায়েল গ্রোসি** (আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান), **ম্যাকি সাল** (প্রাক্তন সেনেগালের প্রেসিডেন্ট) এবং **মারিয়া ফার্নান্ডা এস্পিনোসা** (ইকুয়েডোরের রাজনীতিবিদ) এখনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
- 📌 **লাতিন আমেরিকান** অঞ্চল থেকে কোনো নেতা এখন পর্যন্ত ইউনাইটেড নেশনসের সেক্রেটারি জেনারেল পদে আসেননি। শুধুমাত্র **পেরুর জাভিয়ের পেরেজ ডি কুয়েলার** একমাত্র লাতিন আমেরিকান নেতা হিসেবে এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- 📌 বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল **অ্যান্টোনিও গুতেরেস** ৩১ ডিসেম্বর পদচ্যুতি ঘটবেন। তার স্থলাভিষিক্ত হওয়া নতুন নেতা **১.৫৭ বিলিয়ন ডলার** বিলম্বিত অর্থ প্রদানের সমস্যা এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান সংকটের মুখোমুখি থাকবেন।
📰 বিস্তারিত
মিশেল বাচেলেট বলেন, তিনি এই মহান চ্যালেঞ্জ গ্রহণের জন্য পিছপা হননি, তবে “সময় এখন তার জন্য উপযুক্ত ছিল না”। তিনি বলেন, “আমি এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য উপযুক্ত সময় ছিল না, কিন্তু আমি এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণের জন্য পিছপা হননি।”
ইউএন সিকিউরিটি কাউন্সিলের সর্বশেষ ইনফরমাল পোলে বাচেলেটের অবস্থান খুবই দুর্বল ছিল। জুলাই মাসে তিনি **৬টি উৎসাহিতকর ভোট** পেয়েছিলেন, আগস্টে **২টি ভোট** পেয়েছিলেন, কিন্তু সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত পোলে তিনি মাত্র **১টি ভোট** পান। অন্যদিকে, রেবেকা গ্রিন্স্পান **৯টি উৎসাহিতকর ভোট** পেয়ে প্রথম স্থানে অবস্থান করছেন, তার পিছনে **গায়ানার কারোলাইন রড্রিগেজ-বির্কেট** **৮টি ভোট** পেয়ে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছেন।
ইউএন সিকিউরিটি কাউন্সিলের **১৫ সদস্যের** মধ্যে **৯ সদস্যের** সমর্থন ছাড়া কোনো প্রার্থীকে অনুমোদন করা সম্ভব নয়। পাশাপাশি, **চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র** এই পাঁচটি স্থায়ী সদস্য কোনো ভেটো ব্যবহার করতে পারেন। বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্টোনিও গুতেরেসের পদচ্যুতি ঘটবে ৩১ ডিসেম্বর।
বিশ্ব নেতারা আগামী সপ্তাহে নিউ ইয়র্কে ইউনাইটেড নেশনসের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক উচ্চ-স্তরের অধিবেশনে অংশ নেবেন। এই অধিবেশনের থিম হলো “ট্রাস্ট রিস্টোরিং, ম্যানেজিং ট্রান্সফরমেশন”। গুতেরেস পূর্বে জানিয়েছিলেন যে, বিশ্বের প্রধান শক্তিগুলির মধ্যে জিওপলিটিক্যাল বিভাজন এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারী দেশগুলোর উপস্থিতি ইউনাইটেড নেশনসকে গাজা, ইউক্রেন এবং অন্যান্য সংকটে মোকাবেলায় অক্ষম করে তুলেছে।
মিশেল বাচেলেটের প্রত্যাহারের পর, ইউনাইটেড নেশনসের সেক্রেটারি জেনারেল পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন **রাফায়েল গ্রোসি** (আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান), **ম্যাকি সাল** (প্রাক্তন সেনেগালের প্রেসিডেন্ট) এবং **মারিয়া ফার্নান্ডা এস্পিনোসা** (ইকুয়েডোরের রাজনীতিবিদ)।
"আজ আমি ঘোষণা করছি যে আমি ইউনাইটেড নেশনসের সেক্রেটারি জেনারেল পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাব না।"
"আমি এই মহান চ্যালেঞ্জ গ্রহণের জন্য পিছপা হননি, তবে সময় এখন আমার জন্য উপযুক্ত ছিল না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউ ইয়র্ক, ইউনাইটেড নেশনস সদর দফতর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিশেল বাচেলেট, রেবেকা গ্রিন্স্পান, কারোলাইন রড্রিগেজ-বির্কেট, অ্যান্টোনিও গুতেরেস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ সদস্যের সিকিউরিটি কাউন্সিল, ৯ ভোটের প্রয়োজন, ১.৫৭ বিলিয়ন ডলার বিলম্বিত অর্থ, ৮০ বছর ইউনাইটেড নেশনসের ইতিহাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!