📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

প্রিমিয়ার লিগে ফিরছে ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস’: ক্রিকেটারদের দাম হাঁকানোর সমাপ্তি?

প্রিমিয়ার লিগে ফিরছে ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস’: ক্রিকেটারদের দাম হাঁকানোর সমাপ্তি?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের আগামী ফেব্রুয়ারি দলবদলে আবার ফিরতে পারে ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস’ পদ্ধতি। সিসিডিএম খেলোয়াড়দের শ্রেণিবিন্যাস করবে এবং ক্লাবগুলো নির্দিষ্ট দামে খেলোয়াড় বেছে নেবে। তবে বিসিবি দলবদলের দায় নেবার বিষয় নিয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে

প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের আগামী ফেব্রুয়ারি দলবদলে আবার ফিরতে পারে ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস’ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে ক্রিকেটাররা নিজেদের দাম হাঁকাতে পারবেন না। বরং সিসিডিএম নির্ধারণ করবে প্রতিটি খেলোয়াড়ের মূল্য এবং শ্রেণিবিন্যাস। এরপর ক্লাবগুলো নির্দিষ্ট মূল্যের খেলোয়াড়দের বেছে নিয়ে দল গঠন করবে। তবে এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে নেওয়া হয়নি এবং ক্লাবগুলোর সাথে আনুষ্ঠানিক আলোচনাও হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রিমিয়ার লিগের দলবদলে আবার ফিরতে পারে ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস’ পদ্ধতি
  • 📌 সিসিডিএম খেলোয়াড়দের শ্রেণিবিন্যাস করবে এবং ক্লাবগুলো নির্দিষ্ট মূল্যের খেলোয়াড় বেছে নেবে
  • 📌 ২০১২–১৩ এবং ২০১৫–১৬ মৌসুমে এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়েছিল
  • 📌 ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব এখনো কোনো অবস্থান নেয়নি, তারা আরও আলোচনা করতে চায়
  • 📌 বিসিবি দলবদলের দায় নেবার বিষয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে
  • 📌 গত বছর ক্লাবগুলোর জন্য বিসিবির অনুদান বেড়ে ২৫ লাখ টাকা করে হয়েছে

📰 বিস্তারিত

সিসিডিএমের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের দলবদল ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস’ পদ্ধতিতে হবে। এই পদ্ধতিতে খেলোয়াড়দের আর্থিক নিশ্চয়তা বাড়বে বলে দাবি করা হচ্ছে। প্রতি মৌসুম শেষে ক্রিকেটারদের ক্লাব থেকে পারিশ্রমিক না পাওয়ার অভিযোগ প্রায়ই উঠে আসে। ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস’ পদ্ধতিতে ক্রিকেটার-ক্লাব-সিসিডিএমের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হতে পারে। এতে ক্লাব পারিশ্রমিক না দিলে বিসিবি দায়িত্ব নেবে। তবে বিসিবির এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তবে ক্লাবের বকেয়ার দায় বিসিবি নেবে; এমন কোনো আলোচনার কথা শুনিনি। ত্রিপক্ষীয় চুক্তিও বাস্তবভিত্তিক চিন্তা নয়’।

ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব বিসিবির কাছ থেকে আভাস পেয়ে গতকাল নিজেদের মধ্যে সভা করেছে। তবে তারা এখনো কোনো অবস্থান নেয়নি। তারা আরও বিশদ আলোচনা করতে চায়। খেলোয়াড়দের শ্রেণিবিন্যাস কেমন হবে, পারিশ্রমিক কত হবে—এসব বিষয়ে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে জানা গেছে, দলবদল নিয়ে এখন পর্যন্ত ক্রিকেটারদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেনি ক্লাবগুলো।

বিপিএল না হওয়ায় অনেক ক্রিকেটার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এখন যদি প্রিমিয়ার লিগেও বিসিবির ঠিক করা নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকে খেলতে হয়, তাহলে অনেক ক্রিকেটার তা মানতে পারবেন না। ক্রিকেটারদের টাকা দিতে ক্লাবগুলো বরাবরই গড়িমসি করলেও প্রতি মৌসুমে বিসিবির কাছ থেকে তাদের প্রাপ্তিযোগ কম নয়। গত বছর এক ধাক্কায় ১০ লাখ টাকা বেড়ে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোর জন্য বিসিবির অনুদান এখন ২৫ লাখ টাকা করে। এ ছাড়া দুই লাখ টাকা করে দেওয়া হয় জার্সি ও অন্যান্য সরঞ্জাম কেনা বাবদ।

"প্লেয়ার্স বাই চয়েস নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তবে ক্লাবের বকেয়ার দায় বিসিবি নেবে; এমন কোনো আলোচনার কথা শুনিনি। ত্রিপক্ষীয় চুক্তিও বাস্তবভিত্তিক চিন্তা নয়"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিসিডিএম কর্মকর্তা, ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের সদস্য, বিসিবি কর্মকর্তা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১২–১৩, ২০১৫–১৬ (মৌসুম), ১০ লাখ, ২৫ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖