📌 সন্দ্বীপে মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর জন্য সরকারি নৌ অ্যাম্বুলেন্সের অব্যবস্থা ও প্রশাসনিক উদাসীনতা প্রাণহানি ঘটাচ্ছে। ৯০ লাখ টাকায় কেনা দুটি নৌযানই কাজে আসছে না — একটি ১৫ বছর ধরে অচল, অন্যটি সমুদ্রপথে চলাচল করতে অক্ষম
সন্দ্বীপের সমুদ্রঘেরা দ্বীপে মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর জন্য সরকারি নৌ অ্যাম্বুলেন্সের অব্যবস্থা প্রাণহানি ঘটাচ্ছে। চিকিৎসকেরা চট্টগ্রামে দ্রুত চিকিৎসার জন্য রোগীকে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিলেও স্থানীয়দের কাছে নৌযানের অভাবই রোগীর মৃত্যুতে দায়ী। স্থানীয়রা স্পিডবোটের ব্যবস্থা করলেও তা কাজে আসে না — কারণ সরকারি নৌ অ্যাম্বুলেন্সগুলোই অচল বা অযোগ্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সন্দ্বীপে মুমূর্ষু রোগীকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়ার সময় নৌ অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে মৃত্যু ঘটেছে
- 📌 ৯০ লাখ টাকায় কেনা দুটি নৌ অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে একটি ১৫ বছর ধরে অচল, অন্যটি সমুদ্রপথে চলাচল করতে অক্ষম
- 📌 ২০০৮ সালে কেনা প্রথম নৌ অ্যাম্বুলেন্স চালক ও জ্বালানির অভাবে কাজে আসছে না
- 📌 ২০১৫ সালে ৬৫ লাখ টাকায় কেনা দ্বিতীয় নৌ অ্যাম্বুলেন্স সমুদ্রপথে চলাচল করতে পারছে না
- 📌 প্রশাসনিক উদাসীনতা ও সমন্বয়হীনতা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মৌলিক অধিকার বঞ্চিত করছে
📰 বিস্তারিত
সন্দ্বীপে মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর জন্য সরকারি নৌ অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা থাকার কথা হলেও তা কার্যকরভাবে কাজে লাগছে না। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২০০৮ সালে ৯০ লাখ টাকায় কেনা প্রথম নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি ১৫ বছর ধরে অচল রয়েছে। চালক ও জ্বালানির অভাবের কারণে এটি ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, ২০১৫ সালে ৬৫ লাখ টাকায় কেনা দ্বিতীয় নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি একদিনও রোগী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়নি। কারণ, এটি মূলত হাওর বা নদীর মতো জলপথের জন্য উপযোগী, কিন্তু সমুদ্রপথে চলাচল করতে পারছে না।
প্রশাসনিক উদাসীনতা ও সমন্বয়হীনতার কারণে এই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি অর্থ ব্যয় করে নৌযান কেনা হলেও চালক ও জ্বালানির মতো মৌলিক জোগান নিশ্চিত করার কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রাখা হয়নি। এছাড়াও, ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনা না করে সমুদ্রের জন্য দেওয়া হয়েছে হাওরের নৌযান। নাগরিকের জীবন-মৃত্যুর প্রশ্নে দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের অব্যবস্থা মেনে নেওয়া যায় না।
প্রতিবেদনে উল্লেখিত হয়েছে, স্থানীয় মানুষকে স্পিডবোট, মালবাহী ট্রলার বা ঝুঁকিপূর্ণ ছোট নৌযানের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু এই ব্যবস্থাগুলোও যথাযথ নিরাপত্তা ও দ্রুততা প্রদান করতে পারছে না। ফলে মুমূর্ষু রোগীরা চিকিৎসার সুযোগ পাওয়ার আগেই মৃত্যুবরণ করছেন।
"স্রেফ চালক ও জ্বালানির অভাবে মুমূর্ষু রোগীরা একটা নৌ অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে না পেরে মারা যাচ্ছেন, এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চিকিৎসক, রোগী, স্থানীয় মানুষ, সরকারি কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ লাখ টাকা, ১৫ বছর, ৬৫ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!