📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুর হত্যাকাণ্ডে আসামিদের ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি, তদন্ত অব্যাহত

রংপুর হত্যাকাণ্ডে আসামিদের ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি, তদন্ত অব্যাহত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। হত্যাকাণ্ডের প্রায় নয় দিন পর নমুনা সংগ্রহ করা হলেও তদন্ত কর্মকর্তারা অন্যান্য আলামত যাচাই করে মামলার তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছেন

রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামির ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের প্রায় নয় দিন পর প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষায় ইয়াবা, গাঁজা বা অন্য কোনো মাদকের উপস্থিতি শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে তদন্ত কর্মকর্তারা আসামিদের দেওয়া জবানবন্দি ও অন্যান্য আলামতের ভিত্তিতে মামলার তদন্ত অব্যাহত রেখেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ চারজনকে হত্যার ঘটনায় দুই আসামি গ্রেপ্তার
  • 📌 আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি
  • 📌 হত্যাকাণ্ডের প্রায় নয় দিন পর নমুনা সংগ্রহ করা হয়; চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়ের ব্যবধানে পরীক্ষার ফল নির্ভরযোগ্য নয়
  • 📌 আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দাখিল
  • 📌 তদন্ত কর্মকর্তারা অন্যান্য আলামত যাচাই করে মামলার তদন্ত অব্যাহত রেখেছেন

📰 বিস্তারিত

গত ২১ আগস্ট রাতে রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা দেবী, ছেলে ও মেয়েকে হত্যা করা হয়। পরদিন ২২ আগস্ট তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁরা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে পুলিশ জানায়।

আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডের সময় মাদকাসক্ত থাকার অভিযোগ উঠলে পুলিশ ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নেয়। আদালতের অনুমতি নিয়ে গত ৩০ আগস্ট রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে দুই আসামির প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নিরাপত্তাজনিত কারণে তাঁদের কারাগারের বাইরে নেওয়া হয়নি। রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাবের টেকনোলজিস্ট ও সহকারী ডিবি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিভিন্ন মাদকের শরীরে উপস্থিতির সময়সীমা ভিন্ন। অনেক ক্ষেত্রে মাদক সেবনের কয়েক দিন পর প্রস্রাবের নমুনায় তা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে হত্যাকাণ্ডের প্রায় নয় দিন পর নমুনা সংগ্রহ করায় পরীক্ষার ফল নেগেটিভ হওয়া অস্বাভাবিক নয়। ঘটনার কাছাকাছি সময়ে নমুনা সংগ্রহ করা হলে মাদক গ্রহণের বিষয়ে তুলনামূলক নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যেত।

"কারাগার থেকে নমুনা সংগ্রহের পর তা পরীক্ষা করে এমফিটামিনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। পরীক্ষায় কোনো মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। পাওয়া গেলে তো হতো।"

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি না পাওয়ায় তদন্তের একটি প্রশ্নের উত্তর মিলেছে, তবে এতে হত্যাকাণ্ডের মূল তদন্ত থেমে থাকছে না। আসামিদের জবানবন্দি, ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া আলামতসহ অন্যান্য তথ্য যাচাই করে মামলার তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিদ্ধার্থ দাস, মুগ্ধ দাস, গণপতি চক্রবর্তী, প্রীতিলতা দেবী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন নিহত, হত্যাকাণ্ডের ৯ দিন পর নমুনা সংগ্রহ, ২১ আগস্ট রাতে ঘটনা ঘটে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖