📌 কদমতলীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক ইমন কাজী হত্যা মামলায় আল-আমিন শেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। হত্যার আলামত নষ্ট ও মরদেহ গুমের দায়েও তাকে সাজা দেওয়া হয়
রাজধানীর কদমতলী এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক কিশোর ইমন কাজী হত্যা মামলায় আসামি মোহাম্মদ আল-আমিন শেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-৩ এর বিচারক মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন চৌধুরী এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আসামি মোহাম্মদ আল-আমিন শেখকে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
- 📌 দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা
- 📌 হত্যার আলামত নষ্ট ও মরদেহ গুমের দায়ে দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
- 📌 আল-আমিনের বিরুদ্ধে পারিবারিক পরকীয়া ও টাকা নিয়ে বিরোধের অভিযোগ উঠেছে
- 📌 ২০২৩ সালের ৩০ মে রাতে ইমনকে হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দী করে ফেলে দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর কদমতলীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক কিশোর ইমন কাজী হত্যা মামলায় আসামি মোহাম্মদ আল-আমিন শেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-৩ এর বিচারক মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন চৌধুরী এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম) এ তথ্য নিশ্চিত করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি উপস্থিত ছিলেন। সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রায়ে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আল-আমিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া হত্যার আলামত নষ্ট ও মরদেহ গুমের দায়ে দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দুটি সাজা একই সঙ্গে কার্যকর হবে এবং আসামির হাজতবাসের সময় মূল কারাদণ্ড থেকে বাদ যাবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৩০ মে সন্ধ্যায় অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ইমন কাজী। ওই দিন রাত ৯টার পর তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে গেন্ডারিয়ার ফরাশগঞ্জ মাপুর মাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে চালকবিহীন অটোরিকশা ও এর ব্যাটারি উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজের চার দিন পর ৩ জুন রাতে পশ্চিম মোহাম্মদবাগের সোনামাবিয়া জামে মসজিদসংলগ্ন একটি পতিত জমির ঝোপ থেকে হাত-পা বাঁধা ও বস্তাবন্দী অবস্থায় ইমনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
"পারিবারিক পরকীয়ার সন্দেহ ও ধার দেওয়া ৫ হাজার টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে ইমনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন আল-আমিন। ওই বছরের ৩০ মে সন্ধ্যায় তাকে ভাড়া বাসায় ডেকে কোকের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে বাজার থেকে বস্তা ও রশি কিনে মরদেহ বস্তাবন্দী করে নির্জন স্থানে ফেলে দেওয়া হয় বলে তদন্তে উঠে আসে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর কদমতলী, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আল-আমিন শেখ (আসামি), ইমন কাজী (নিহত)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা, তিন বছরের কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!