📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইউক্রেনে রুশ হামলায় ধ্বংস এক কোটির বেশি বই, হারাচ্ছে নিজস্ব ইতিহাস ও সংস্কৃতি

ইউক্রেনে রুশ হামলায় ধ্বংস এক কোটির বেশি বই, হারাচ্ছে নিজস্ব ইতিহাস ও সংস্কৃতি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক কোটির বেশি বই ধ্বংস হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান, গ্রন্থাগার ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা। ইউক্রেন সরকারের দাবি, রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করছে

কিয়েভের উপকণ্ঠে অবস্থিত একটি ছাপাখানা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায়। নতুন শিক্ষাবর্ষের জন্য ১৩ লাখ বই ছাপার কাজ চলছিল সেখানে। ইউক্রেনের স্কুলগুলোর মোট পাঠ্যবইয়ের প্রায় ১০ শতাংশ ছিল এসব বই। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পাওয়া যায় ইংরেজি ভাষার একটি পাঠ্যবইয়ের পোড়া পৃষ্ঠা, যেখানে লেখা ছিল, ‘আমার নাম উইলিয়াম। আমার বাড়ি যুক্তরাজ্যে।’

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে এক কোটির বেশি বই ধ্বংস হয়েছে
  • 📌 কিয়েভের উপকণ্ঠের ছাপাখানায় হামলার সময় ১৩ লাখ বই ছাপার কাজ চলছিল
  • 📌 ইউক্রেনের স্কুলগুলোর মোট পাঠ্যবইয়ের প্রায় ১০ শতাংশ ছিল এসব বই
  • 📌 চলতি বছর ইউক্রেনে ছাপা হওয়া মোট বইয়ের এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংস করেছে রাশিয়া
  • 📌 গত দুই মাসে ইউক্রেনের ৩৫টির বেশি প্রকাশনা ও মুদ্রণ স্থাপনায় হামলা হয়েছে
  • 📌 যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়া ইউক্রেনের ১ হাজার ৯০০-এর বেশি ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন এবং ২ হাজারের বেশি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা চালিয়েছে
  • 📌 প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান কনভির বাণিজ্যিক পরিচালক ভিক্টোরিয়া হাইদাই বলেন, ‘রাশিয়া ইচ্ছা করেই এসব করছে।’

📰 বিস্তারিত

রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের কিয়েভের উপকণ্ঠে অবস্থিত একটি ছাপাখানা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। নতুন শিক্ষাবর্ষের জন্য ১৩ লাখ বই ছাপার কাজ চলছিল সেখানে। ইউক্রেনের স্কুলগুলোর মোট পাঠ্যবইয়ের প্রায় ১০ শতাংশ ছিল এসব বই। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পাওয়া যায় ইংরেজি ভাষার একটি পাঠ্যবইয়ের পোড়া পৃষ্ঠা, যেখানে লেখা ছিল, ‘আমার নাম উইলিয়াম। আমার বাড়ি যুক্তরাজ্যে।’

প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান কনভিরের বাণিজ্যিক পরিচালক ভিক্টোরিয়া হাইদাই বলেন, ‘রাশিয়া ইচ্ছা করেই এসব করছে বলে আমি মনে করি। গত দুই মাসে সবচেয়ে বড় কয়েকটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের সরবরাস্থ কেন্দ্র হামলায় ধ্বংস হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেন জাতিকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে রাশিয়া। তাই ছাপাখানাগুলো ধ্বংস করছে তারা।’

গত কয়েক সপ্তাহে ইউক্রেনের ৩৫টির বেশি প্রকাশনা ও মুদ্রণ স্থাপনায় হামলা হয়েছে। শুধু নতুন বই-ই নয়, কিয়েভের পুরোনো বইয়ের বাজারেও হামলা হয়েছে। এতে শত শত বিক্রয়কেন্দ্র এবং অসংখ্য মূল্যবান বই ধ্বংস হয়েছে।

কিয়েভের ওই ছাপাখানায় অগ্নিনির্বাপণ কর্মীরা আগুন নেভানোর কাজ শেষ করার আগেই ২৮ বছর বয়সী বইবিষয়ক ব্লগার লিলিয়া ভেলিকা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি জ্বলতে থাকা ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে কিছু বই উদ্ধারের শেষ চেষ্টা করছিলেন। তাঁর হাতে ছিল ভিজে যাওয়া একটি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি। লিলিয়া বলেন, ‘বই আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। এগুলো হারানো মানে আমাদের হৃদয় হারিয়ে ফেলার মতো।’

ইউক্রেনের সংস্কৃতিমন্ত্রী তেতিয়ানা বেরেজনা বলেন, ‘রাশিয়া আমাদের দীর্ঘদিনের ইতিহাসের প্রতীক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।’ তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া ইউক্রেনের ১ হাজার ৯০০-এর বেশি ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন এবং ২ হাজারের বেশি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা চালিয়েছে।

‘রাশিয়া আমাদের দীর্ঘদিনের ইতিহাসের প্রতীক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।’ — ইউক্রেনের সংস্কৃতিমন্ত্রী তেতিয়ানা বেরেজনা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইউক্রেন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভিক্টোরিয়া হাইদাই, লিলিয়া ভেলিকা, তেতিয়ানা বেরেজনা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি, ১৩ লাখ, ১০ শতাংশ, ৩৫টি, ২৮ বছর, ১ হাজার ৯০০, ২ হাজার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖