📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুরে মাদক বিরোধিতায় হত্যা: চার সদস্যের পরিবারের চারজনকে হত্যা করেছে দুই যুবক

রংপুরে মাদক বিরোধিতায় হত্যা: চার সদস্যের পরিবারের চারজনকে হত্যা করেছে দুই যুবক

📷 ছবি: রাইজিংবিডি

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 RisingBD ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুর নগরীর তাতীপাড়া এলাকায় জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাদের হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে

রংপুর মহানগর পুলিশ রবিবার ভোরে তাতীপাড়া এলাকায় জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাদের হত্যা করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত দুইজন হলেন সিদ্ধার্থ দাস (১৯) ও মুগ্ধ দাস (২১), যারা একই এলাকার বাসিন্দা এবং মামাতো-ফুফাতো ভাই।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গণপতি চক্রবর্তীসহ তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী (১২) — চার সদস্যের পরিবারকে হত্যা করা হয়েছে
  • 📌 গ্রেপ্তার দুইজন: সিদ্ধার্থ দাস (১৯) ও মুগ্ধ দাস (২১), যারা ইয়াবা সেবন করতেন এবং মাদক বিরোধিতায় হত্যা করেন
  • 📌 হত্যার কারণ: গণপতি চক্রবর্তী ইয়াবা সেবনে বাধা দিয়েছিলেন বলে জানায় পুলিশ
  • 📌 ঘটনার স্থান: রংপুর নগরীর তাতীপাড়া এলাকায় গণপতি চক্রবর্তীর বাসা
  • 📌 গ্রেপ্তার হয়েছে রবিবার ভোরে, ঘটনার সময় ছিল শনিবার রাত ১১টা থেকে ভোর পর্যন্ত

📰 বিস্তারিত

রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ রবিবার নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানান, গণপতি চক্রবর্তীর বাসার ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় চারজনকে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার রাত ১১টায় নগরীর কামালকাছনা মাছুয়াপাড়ার বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ কমিশনার জানান, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পাশের ভবনের ছাদ টপকে গণপতি চক্রবর্তীর বাসার ছাদে উঠে ইয়াবা সেবন করছিল অভিযুক্ত দুইজন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে গণপতি চক্রবর্তী তাদের বাধা দিলে তারা তাকে হত্যা করে। অভিযুক্তরা খালি গায়ে গামছা ঘাড়ে ঝুলিয়ে ছাদে গিয়েছিলেন বলে জানায় পুলিশ। তারা গণপতির ঘাড়ের গামছা ছিনিয়ে নিয়ে তা দিয়ে তার গলায় পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

গণপতির স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী দুইতলা থেকে ছাদে আসলে অভিযুক্তরা তার পথরোধ করে শ্বাসরোধে হত্যা করে। মায়ের চিৎকার শুনে নিজের রুম থেকে এগিয়ে আসেন তাদের মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী। তাকে গামছা ও ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। পরে একটি রশি দিয়ে তার গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর অভিযুক্তরা গণপতির শোয়ার ঘরে যায় এবং সেখানে থাকা তার ছোট ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে।

পুলিশ কমিশনার জানান, চারজনকে হত্যা করতে প্রায় ভোর হয়ে যায়। পরে অভিযুক্তরা বাসার বাথরুমে গোসল করে, ডাইনিং টেবিলে বসে খেজুর খায় এবং ইয়াবা সেবন করে। ঘটনাস্থল থেকে এসব আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। তারা ঘটনাটিকে ডাকাতি হিসেবে দেখানোর জন্য বাসার আসবাবপত্র এলোমেলো করে এবং ভাঙচুর করে রাখে। কিছু স্বর্ণালংকার নিয়ে তা মন্দিরের পাশে পরিত্যক্ত জায়গায় রেখে যায়। পরে গ্রেপ্তারের পর তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।

"মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা সেবন করতেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: তাতীপাড়া, রংপুর মহানগর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), প্রার্থী চক্রবর্তী (২৫), প্রিয়ম চক্রবর্তী (১২), সিদ্ধার্থ দাস (১৯), মুগ্ধ দাস (২১)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন নিহত, গ্রেপ্তার ২ জন, ঘটনার সময় ২২ আগস্ট রাত ১১টা থেকে ২৩ আগস্ট ভোর পর্যন্ত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖