📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নদী রক্ষা কমিশনের আইন প্রণয়নে ছয় বছরে সাত সভা, এখনও চূড়ান্ত নয় খসড়া

নদী রক্ষা কমিশনের আইন প্রণয়নে ছয় বছরে সাত সভা, এখনও চূড়ান্ত নয় খসড়া

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২০২০ সাল থেকে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের জন্য নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ চলছে। ছয় বছরে সাতটি সভা হলেও এখনও চূড়ান্ত হয়নি খসড়া আইন। সর্বশেষ ১২ জুলাইয়ের সভায় পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিআইডব্লিউটিএর আপত্তির কারণে পুনরায় পর্যালোচনার জন্য ফেরত পাঠানো হয়েছে

দেশের নদ-নদী রক্ষায় জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনকে (এনআরসি) শক্তিশালী করতে ২০২০ সাল থেকে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয় সরকার। এরপর ছয় বছরে প্রস্তাবিত আইনের খসড়া নিয়ে মোট সাতটি সভা অনুষ্ঠিত হলেও এখনও চূড়ান্ত হয়নি খসড়াটি। সর্বশেষ ১২ জুলাইয়ের আন্তমন্ত্রণালয় সভায় পরিবেশ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) আপত্তির কারণে খসড়াটি আরও পর্যালোচনার জন্য জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২০ সাল থেকে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের জন্য নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ চলছে
  • 📌 ছয় বছরে মোট সাতটি সভা অনুষ্ঠিত হলেও আইনটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি
  • 📌 সর্বশেষ ১২ জুলাইয়ের সভায় পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিআইডব্লিউটিএ আপত্তি তুলে খসড়াটি পুনরায় পর্যালোচনার জন্য ফেরত পাঠায়
  • 📌 প্রস্তাবিত আইনে নদীকে ‘সংকটাপন্ন এলাকা’ ঘোষণা, নদী আদালত প্রতিষ্ঠা এবং প্রকল্প অনুমোদনে কমিশনের অনাপত্তিপত্র নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

উচ্চ আদালতের নির্দেশে ২০১৬ সালে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনকে শক্তিশালী করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয় সরকার। প্রস্তাবিত আইনে নদী রক্ষা কমিশনের ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নদীকে ‘সংকটাপন্ন এলাকা’ ঘোষণা করা, নদী আদালত প্রতিষ্ঠা এবং নদী-সংক্রান্ত উন্নয়নকাজ ও কারিগরি সমীক্ষা প্রকল্পের ক্ষেত্রে কমিশনের কাছ থেকে অনাপত্তিপত্র নেওয়ার বিধান।

২০২০ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন প্রথম খসড়া তৈরি করে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে খসড়াটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এরপর ২০২২ সালের ১২ মে প্রথম আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ ১২ জুলাই পর্যন্ত মোট সাতটি সভা হয়েছে, যার মধ্যে চারটি আন্তমন্ত্রণালয় সভা এবং তিনটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা সভা।

পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিআইডব্লিউটিএ প্রস্তাবিত আইনের তিনটি বিধান নিয়ে আপত্তি তুলেছে। পরিবেশ অধিদপ্তর নদীকে সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা এবং নদী আদালত প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের যুক্তি হলো, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী এসব ক্ষমতা পরিবেশ অধিদপ্তরের রয়েছে। অন্যদিকে বিআইডব্লিউটিএ আপত্তি তুলেছে প্রকল্প ও কারিগরি কাজের আগে কমিশনের কাছ থেকে অনাপত্তিপত্র নেওয়ার বিধান নিয়ে, যা দ্বৈততা তৈরি করবে বলে তাদের অভিমত।

"পরিবেশ আদালতে যেকোনো ধরনের দূষণ ও দখলের বিরুদ্ধে যে কেউ আইনি প্রতিকার চাইতে পারেন। আলাদা করে নদী আদালত প্রতিষ্ঠা করা হলে সেটি দ্বৈততা তৈরি করবে বলে পরিবেশ অধিদপ্তর মনে করে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭টি সভা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖