📌 কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সারের তীব্র সংকটের কারণে ক্ষুব্ধ কৃষকেরা এক ডিলারের গুদাম ভেঙে ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যান। পুলিশের হস্তক্ষেপে ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন। বাকি সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নে সারের তীব্র সংকটের কারণে ক্ষুব্ধ কৃষকেরা এক ডিলারের গুদাম ভেঙে ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যান। ঘটনাটি ঘটে রোববার বেলা ১১টার দিকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কৃষকেরা ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নে এক ডিলারের গুদাম ভেঙে ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যান
- 📌 প্রতি বস্তা সারের ওজন ছিল ৫০ কেজি
- 📌 ঘটনাটি ঘটে রোববার বেলা ১১টার দিকে
- 📌 পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দেন
- 📌 উপজেলায় সারের চাহিদা প্রায় চার হাজার বস্তা, বিপরীতে বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩২০ বস্তা
- 📌 ডিলারের নামে উত্তোলন করা হয়েছিল মাত্র ৩৪০ বস্তা সার
📰 বিস্তারিত
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নে সারের তীব্র সংকটের কারণে ক্ষুব্ধ কৃষকেরা এক ডিলারের গুদাম ভেঙে ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যান। ঘটনাটি ঘটে রোববার বেলা ১১টার দিকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন জানান, উপজেলায় সারের চাহিদা প্রায় চার হাজার বস্তা। বিপরীতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল ১ হাজার ৩২০ বস্তা। এর মধ্যে ডিলারের সার উত্তোলন ছিল মাত্র ৩৪০ বস্তা। ফলে সার না পাওয়ার আশঙ্কায় কৃষকেরা গুদাম থেকে সার নিয়ে যান।
পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে পুলিশ কৃষকদের সার ফেরত দেওয়ার অনুরোধ করলে ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দেন। ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, উপজেলায় সারের চাহিদা প্রায় চার হাজার বস্তা। বিপরীতে বরাদ্দ দেওয়া হয় ১ হাজার ৩২০ বস্তা। এর মধ্যে ডিলারের সার উত্তোলনও কম ছিল। ফলে সার না পাওয়ার আশঙ্কা থেকে কৃষকেরা গুদাম থেকে সার নিয়ে যান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল জব্বার জানান, ওই ডিলারের নামে ৩৪০ বস্তা সার উত্তোলন করা হয়েছিল। এর মধ্যে প্রায় ২০০ বস্তা সার কৃষকেরা গুদাম থেকে নিয়ে গেছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় লোকদের সহায়তায় অনেকগুলো সারের বস্তা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অন্যগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
"ডিলারের গুদামে সার না থাকলেও খোলাবাজারে বেশি দামে সার পাওয়া যাচ্ছে। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। পরে কৃষকেরা জোটবদ্ধ হয়ে গুদাম থেকে সার নিয়ে যান।"
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ জানান, ইতিমধ্যে পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় লোকদের সহায়তায় অনেকগুলো সারের বস্তা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অন্যগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে যাচ্ছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শিলখুড়ি ইউনিয়ন, ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি আজিম উদ্দিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল জব্বার, ইউএনও অমৃত দেবনাথ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৭ বস্তা, ৫০ কেজি, ৩৩ জন, ৩৩ বস্তা, ১ হাজার ৩২০ বস্তা, ৩৪০ বস্তা, ২০০ বস্তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!