📌 অবসর জীবনে নিজ খরচে এক হাজারের বেশি কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আতিকুল হক। তাঁর এই উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা প্রশংসা করেছেন।
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আতিকুল হক ওরফে ছমির স্যার নিজ খরচে এক হাজারের বেশি কৃষ্ণচূড়া গাছ রোপণ করেছেন। তাঁর লক্ষ্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সবুজ ও মনোরম করে তোলা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অবসর জীবনে নিজ খরচে এক হাজারের বেশি কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগিয়েছেন আতিকুল হক
- 📌 সখীপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা, কালিহাতী, ঘাটাইল ও ভালুকা উপজেলায় গাছ লাগানো হয়েছে
- 📌 বৃক্ষরোপণে স্থানীয় শিক্ষার্থীরাও অনুপ্রাণিত হচ্ছে
- 📌 অবসর মানেই অলস জীবন নয়, মানুষ ও প্রকৃতির জন্য কাজ করার বার্তা দিয়েছেন তিনি
📰 বিস্তারিত
২০২১ সালে বড়চওনা উচ্চবিদ্যালয় থেকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে অবসর নেন আতিকুল হক। অবসরের পর সময় কাটানোর জন্য তিনি বৃক্ষরোপণের কাজ শুরু করেন। নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে কৃষ্ণচূড়ার চারা কিনে বিভিন্ন স্থানে রোপণ করেন তিনি। ইতিমধ্যে তাঁর লাগানো গাছগুলো টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যাচ্ছে।
সখীপুর উপজেলার বড়চওনা গ্রামের বাসিন্দা আতিকুল হক জানান, কর্মজীবনে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। অবসর জীবনে প্রকৃতি ও মানুষের জন্য কিছু করার তাগিদ থেকেই বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, ‘অবসর মানেই অলস জীবন নয়। নিজের সামর্থ্যের মধ্যেই মানুষ ও প্রকৃতির জন্য কিছু করার চেষ্টা করছি।’
ছমির স্যার তাঁর লাগানো গাছগুলো সম্পর্কে বলেন, ‘একদিন এই গাছগুলো বড় হবে, ফুলে ভরে উঠবে। সেই ছায়ায় শিক্ষার্থী ও পথচারীরা স্বস্তি পাবে। হয়তো সেদিন আমি থাকব না, কিন্তু গাছগুলো থেকে যাবে।’ তাঁর এই উদ্যোগে স্থানীয় শিক্ষার্থীরাও অনুপ্রাণিত হচ্ছে।
‘মানুষ ও সমাজের মঙ্গলের জন্য কিছু করতে পারলে নিজেকে সার্থক মানুষ মনে করব।’ — আতিকুল হক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টাঙ্গাইল জেলা (সখীপুর, কালিহাতী, ঘাটাইল, ভালুকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আতিকুল হক (ছমির স্যার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: এক হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!