📌 রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার বড়থলি ইউনিয়নটি ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ে অবস্থিত। সেখানে মুঠোফোনের নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, মাধ্যমিক বিদ্যালয় কিছুই নেই। প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের বসবাস হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভয়াবহ। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি সেবা পেতে হলে ২৭ কিলোমিটার হেঁটে রুমা উপজেলায় যেতে হয়
রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার বড়থলি ইউনিয়নটি ভারতের মিজোরাম ও মিয়ানমারের চিন রাজ্যের সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড় ও বনাঞ্চলে অবস্থিত। সেখানে মুঠোফোনের নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, মাধ্যমিক বিদ্যালয়—কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধাই নেই। প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের বসবাস হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইউনিয়নটির আয়তন ২৭৮ বর্গকিলোমিটার, যেখানে ২৪টি গ্রামের প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ বসবাস করেন
- 📌 সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ২০০ ফুট উঁচু রাইখ্যং হ্রদের তীরে অবস্থিত বড়থলি ইউনিয়নটি যোগাযোগবিচ্ছিন্ন
- 📌 ইউনিয়নটিতে মুঠোফোনের নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, মাধ্যমিক বিদ্যালয় কিছুই নেই
- 📌 সরকারি সেবা পেতে স্থানীয়দের প্রায় ২৭ কিলোমিটার হেঁটে রুমা উপজেলায় যেতে হয়
- 📌 ইউনিয়নটিতে তঞ্চঙ্গ্যা, মারমা, ত্রিপুরা, খুমী ও ম্রো জনগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করেন
📰 বিস্তারিত
বড়থলি ইউনিয়নটি রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত হলেও ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী হওয়ায় এটি অত্যন্ত দুর্গম। সেখানে মুঠোফোনের নেটওয়ার্ক না থাকায় স্থানীয়রা যোগাযোগ করতে পারেন না। স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় না থাকায় চিকিৎসা ও শিক্ষার সুযোগও সীমিত। স্থানীয়রা জানান, সরকারি সেবা পেতে হলে প্রায় ২৭ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে বান্দরবানের রুমা উপজেলায় যেতে হয়।
ইউনিয়নটির আয়তন ২৭৮ বর্গকিলোমিটার। সর্বশেষ জনশুমারি অনুযায়ী সেখানে তিন হাজার ৫৯৫ জন মানুষ বসবাস করেন। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি, বর্তমানে জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজার। ইউনিয়নটিতে তঞ্চঙ্গ্যা, মারমা, ত্রিপুরা, খুমী ও ম্রো—এই পাঁচ জনগোষ্ঠীর মানুষের বসবাস। তাঁরা প্রধানত জুমচাষের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন।
স্থানীয়রা জানান, বর্ষাকালে পাহাড়ি ঝরনা ও নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। ফলে শিশুদের স্কুলে পাঠানো যায় না। ইউনিয়নটিতে নয়টি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও কোনো মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই। অধিকাংশ শিক্ষার্থী প্রাথমিকের পরেই ঝরে পড়ে।
"আমাদের অনেক বাচ্চা পড়তে চায়। কিন্তু বর্ষায় পাহাড়ি ঝরনা আর নদীর পানি বাড়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিশুদের স্কুলে পাঠানো যায় না। সপ্তাহের পর সপ্তাহ ওদের পড়াশোনা বন্ধ থাকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলা, বড়থলি ইউনিয়ন
- 👥 জনগোষ্ঠী: তঞ্চঙ্গ্যা, মারমা, ত্রিপুরা, খুমী, ম্রো
- 🔢 আয়তন: ২৭৮ বর্গকিলোমিটার
- 🔢 জনসংখ্যা: প্রায় পাঁচ হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!