📌 রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানার মেহেরচণ্ডী এলাকায় মাদকের টাকার জন্য মা ও ছোট ভাইকে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছেন যুবক মেহেদী হাসান। ঘটনার পর স্থানীয়দের হাতে মার খেয়ে তিনি গ্রেপ্তার হন। তিনজনই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানার মেহেরচণ্ডী উত্তরপাড়া এলাকায় মাদকের টাকার জন্য মা ও ছোট ভাইকে ধারালো বঁটি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে মেহেদী হাসান ওরফে মুন্না (৩৪)-এর বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে অভিযুক্তকে স্থানীয় লোকজন পিটিয়ে মারার পর পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে তিনজনকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেহেদী হাসান (৩৪) নামে এক যুবক মাদকের টাকার জন্য মা মোসা. মনোয়ারা খাতুন (৫৫) ও ছোট ভাই মো. মৃদুলকে (২৮) বঁটি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন
- 📌 ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তকে মারধর করেন; পরে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে
- 📌 তিনজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের যথাক্রমে ২ নম্বর ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়
- 📌 ঘটনায় মেহেদীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে মামলা করা হয়েছে; হামলায় ব্যবহৃত বঁটি জব্দ করেছে পুলিশ
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী মহানগরের চন্দ্রিমা থানার মেহেরচণ্ডী উত্তরপাড়া এলাকায় গতকাল শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মেহেদী হাসান মাদকসেবনের টাকার জন্য তাঁর মা ও ছোট ভাইকে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দরজা ভেঙে আহত মা ও ভাইকে উদ্ধার করে। এ সময় স্থানীয় লোকজন মেহেদীকে মারধর করেন। পরে পুলিশ তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
রাত সাড়ে ১২টার দিকে মেহেদী ও মৃদুলকে হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এবং মনোয়ারা খাতুনকে ২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তাঁরা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার পর মনোয়ারার মেয়ে স্থানীয় থানায় মামলা করেন। মামলায় মেহেদীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও উপকমিশনার (মিডিয়া) মো. গাজিউর রহমান জানান, ঘটনার পরপরই তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মামলার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হামলায় ব্যবহৃত বঁটি জব্দ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মেহেদী প্রাথমিকভাবে মাদকাসক্ত বলে জানা গেছে। তবে হামলার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে।
"ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুক্তভোগীদের মৃত্যুর বিষয়ে কিছু পোস্ট ছড়িয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগীদের কেউ মারা যাননি। তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার বা শেয়ার না করার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী মহানগর, চন্দ্রিমা থানা, মেহেরচণ্ডী উত্তরপাড়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেহেদী হাসান (৩৪), মোসা. মনোয়ারা খাতুন (৫৫), মো. মৃদুল (২৮), মো. গাজিউর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪, ৫৫, ২৮, সাড়ে ১১টা, সাড়ে ১২টা, ২ নম্বর ওয়ার্ড, ৮ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!