📌 রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা বাজারের ফাইসাল হোটেলে গরুর মাংসের সঙ্গে ঘোড়ার মাংস মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসন মাংসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করে হোটেল মালিক পাঁচ লাখ টাকার চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন
রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা বাজারের জনপ্রিয় ফাইসাল হোটেলে গরুর মাংসের সঙ্গে ঘোড়ার মাংস মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে এ অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হোটেল মালিক মো. ফাইসাল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা বাজারের ফাইসাল হোটেলে গরুর মাংসের সঙ্গে ঘোড়ার মাংস মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর অভিযোগটি সামনে আসে
- 📌 উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ হোটেল থেকে মাংসের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে
- 📌 অভিযোগ অস্বীকার করে হোটেল মালিক মো. ফাইসাল পাঁচ লাখ টাকার চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন
- 📌 পরীক্ষার প্রতিবেদন পেতে চার থেকে সাত দিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা
📰 বিস্তারিত
রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা বাজারের জনপ্রিয় ফাইসাল হোটেলে গরুর মাংসের সঙ্গে ঘোড়ার মাংস মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ১৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি সামনে আসে। ভিডিওটিতে হোটেলে ভোজনরসিকদের ভিড় এবং কর্মচারীদের মাংস রান্না করতে দেখা যায়। ভিডিওটির ক্যাপশনে দাবি করা হয়, হোটেলটিতে গরুর মাংসের সঙ্গে ঘোড়ার মাংস মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে।
অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে বিষয়টি। পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইবনুল আবেদীনের নেতৃত্বে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, ভেটেরিনারি সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা হোটেলটি পরিদর্শন করেন। ইউএনও ইবনুল আবেদীন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নওহাটার ফাইসালের কালা ভুনায় গরুর মাংসের সঙ্গে ঘোড়ার মাংস মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগসংক্রান্ত একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা হোটেলটি পরিদর্শন করেছি। সেখান থেকে কাঁচা ও রান্না করা মাংসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। অভিযোগ সত্য হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর অভিযোগের সত্যতা না মিললে অপপ্রচারের বিষয়টিও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেরিনারি সার্জন সোহরাব খান বলেন, নমুনাগুলো ঢাকার সেন্ট্রাল ডিজিজ ইনভেস্টিগেশন ল্যাবরেটরিতে (সিডিআইএল) পাঠানো হবে। পরীক্ষার মাধ্যমে মাংসটি গরুর, নাকি এর সঙ্গে অন্য কোনো প্রাণীর মাংস মেশানো হয়েছে, তা শনাক্ত করা সম্ভব। সাধারণত পরীক্ষার ফল পেতে চার-পাঁচ দিন, বিশেষ ক্ষেত্রে এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
"আমাদের এই হাটে ঘোড়ার মাংস তো দূরের কথা, জীবিত ঘোড়াই নেই। সেখানে ঘোড়ার মাংস বিক্রি করার প্রশ্নই ওঠে না। ফেসবুকে একজন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পোস্ট দিয়েছেন। এতে আমাদের মনটা খুব খারাপ। কেউ যদি প্রমাণ করতে পারে যে আমি কখনও ঘোড়ার মাংস মিশিয়ে বিক্রি করেছি, তাহলে তাকে পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার দেব এবং দোকান একেবারে বন্ধ করে দেব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ফাইসাল (হোটেল মালিক), ইবনুল আবেদীন (ইউএনও), সোহরাব খান (ভেটেরিনারি সার্জন)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ টাকা (চ্যালেঞ্জ), ১৮ সেকেন্ড (ভিডিও দৈর্ঘ্য), ৪-৭ দিন (পরীক্ষার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!