📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সাঁওতালদের ধর্মীয় স্থান দখল ও ভাঙচুরে প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সাঁওতালদের ধর্মীয় স্থান দখল ও ভাঙচুরে প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গোদাগাড়ী উপজেলার সাঁওতাল সম্প্রদায়ের পবিত্র মাঞ্জহি থান দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ইসমাইল ও ইব্রাহিম সরকারকে জমি দখলের চেষ্টায় দোষারোপ করা হয়েছে। প্রশাসক আশ্বাস দিয়েছেন জায়গাটি সাঁওতালদের জন্য রক্ষিত থাকবে

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় সাঁওতাল সম্প্রদায়ের পবিত্র ধর্মীয় স্থান মাঞ্জহি থান দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। সৈয়দপুর গ্রামের দু’জন ব্যক্তিকে জমি দখলের চেষ্টায় দোষারোপ করা হয়েছে। ঘটনায় জেলা প্রশাসক আশ্বাস দিয়েছেন যে, সাঁওতালদের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা করা হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গোদাগাড়ী উপজেলার মহালানপাড়া গ্রামে সাঁওতালদের পবিত্র মাঞ্জহি থান দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 সৈয়দপুর গ্রামের ইসমাইল ও ইব্রাহিম সরকারকে ট্রাক্টর দিয়ে জমির বেড়া ভেঙে ভাঙচুরের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
  • 📌 ঘটনায় জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম আশ্বাস দিয়েছেন, জায়গাটি সাঁওতালদের জন্য রক্ষিত থাকবে।
  • 📌 মাঞ্জহি থানটি ২৪ নম্বর দাগে অবস্থিত, যেখানে ৩৫টি সাঁওতাল পরিবার ধর্মীয় আচার পালন করে আসছে।
  • 📌 অভিযোগে বলা হয়, ইসমাইল সরকার ৫৯ নম্বর দাগের চার বিঘা জমির মালিক।

📰 বিস্তারিত

গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের মহালানপাড়া গ্রামে সাঁওতাল সম্প্রদায়ের পবিত্র স্থান মাঞ্জহি থান দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। গ্রামের ৩৫টি সাঁওতাল পরিবার বহু বছর ধরে এই জায়গায় ধর্মীয় আচার পালন করে আসছে। সাঁওতালদের অভিযোগ, সৈয়দপুর গ্রামের ইসমাইল সরকার ও তাঁর ভাই ইব্রাহিম সরকার ট্রাক্টর দিয়ে মাঞ্জহি থানের জমির বেড়া ভেঙে জমিটি দখলের চেষ্টা করেছেন এবং সেখানে ভাঙচুর চালিয়েছেন।

ঘটনার পর সাঁওতালরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পুলিশকে জানিয়েছেন। পরে ইউএনওয়ের নির্দেশে কাঁকনহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ইসমাইল সরকারকে জমি দখলে বাধা দেয়। সাঁওতালদের পক্ষে সুখেন মার্ডি জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। জেলা প্রশাসক আশ্বাস দিয়েছেন যে, মাঞ্জহি থান কেউ দখল করতে পারবে না। এ আশ্বাস পেয়ে সাঁওতালরা আবার ধর্মীয় স্থান প্রস্তুতের কাজ শুরু করেছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সারওয়ার-ই-কামাল ও মানবাধিকারকর্মী আরিফ ইথার ঘটনাটিকে আদিবাসীদের ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সারওয়ার-ই-কামাল বলেছেন, ‘উপাসনালয় ভাঙচুর কেবল অপরাধ নয়, এটি আদিবাসীদের অস্তিত্ব ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর বড় আঘাত। প্রশাসনের দেওয়া আশ্বাসের দ্রুত ও দৃশ্যমান বাস্তবায়ন আমরা দেখতে চাই।’

জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেছেন, ‘সাঁওতালরা গাছের নিচে একটি পাথর রেখে ধর্মীয় আচার পালন করেন। সেটিই তাঁদের পবিত্র স্থান। ইউএনও এবং পুলিশকে বলে দেওয়া হয়েছে, তাঁরা যেন শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় আচার পালন করতে পারেন। জায়গা কেউ দখলে নিতে পারবে না।’ ইউএনও ইসরাত জাহান জানান, ‘মাঞ্জহি থান পুরোপুরি ভাঙেনি। তবে যিনি ওই জমি চাষ করতে গিয়েছিলেন, তাঁকে শক্তভাবে বলে দেওয়া হয়েছে তিনি যেন এ ধরনের কাজ আর না করেন। ভবিষ্যতে একই ঘটনা ঘটালে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

"উপাসনালয় ভাঙচুর কেবল অপরাধ নয়, এটি আদিবাসীদের অস্তিত্ব ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর বড় আঘাত। প্রশাসনের দেওয়া আশ্বাসের দ্রুত ও দৃশ্যমান বাস্তবায়ন আমরা দেখতে চাই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মহালানপাড়া গ্রাম, গোদাগাড়ী উপজেলা, রাজশাহী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী শহিদুল ইসলাম (জেলা প্রশাসক), ইসমাইল সরকার, ইব্রাহিম সরকার, সারওয়ার-ই-কামাল, আরিফ ইথার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫টি সাঁওতাল পরিবার, ২৪ নম্বর দাগ, ৫৯ নম্বর দাগ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖