📌 রাজবাড়ীর বরাট বাজারে অবস্থিত মহেশ রাজভরের দোকানের বিশেষ পুরি ও অন্যান্য তেলেভাজা খাবারের স্বাদ নিতে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় জমান। প্রায় ২৫ বছর ধরে ব্যবসা চালানো মহেশ রাজভরের দোকানে দিনে গড়ে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকার বিক্রি হয়
রাজবাড়ীর বরাট বাজারে অবস্থিত মহেশ রাজভরের (৫৫) ছোট্ট তেলেভাজার দোকানটি এখন পরিচিতির আলোয়। দোকানটির সামনে ও ভেতরে সব সময়ই মানুষের ভিড় লক্ষ করা যায়। প্রায় ২৫ বছর ধরে তিনি তেলেভাজা তৈরি করছেন। স্থানীয়দের কাছে এর নাম ‘মহেশের পুরি’। দোকানটিতে আলুপুরি, চপ, পেঁয়াজু, মুরগির পা, পাখনাভাজা, লেগপিস ও মোগলাইসহ বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবার পাওয়া যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজবাড়ীর বরাট বাজারে মহেশ রাজভরের দোকানে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসেন ‘মহেশের পুরি’র স্বাদ নিতে
- 📌 দোকানটিতে আলুপুরি, চপ, পেঁয়াজু, মুরগির পা, পাখনাভাজা, লেগপিস ও মোগলাইসহ বিভিন্ন খাবার পাওয়া যায়
- 📌 দোকানটিতে ১০ টাকার আলুপুরি, ১০ টাকার চপ, ১০ টাকার পেঁয়াজু, ২০ টাকার মুরগির পা, ৩০ টাকার মুরগির পাখনা, ৮০ টাকার মুরগির লেগপিস ও ১৫০ টাকার মোগলাই বিক্রি হয়
- 📌 মহেশ রাজভরের দোকানে দিনে গড়ে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকার বিক্রি হয়; ছুটির দিনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৫ থেকে ২৬ হাজার টাকায়
- 📌 মহেশ রাজভরের স্ত্রী রীনা রানী রাজভর, মেয়ে চৈতি রানী রাজভর ও ছেলে অজয় রাজভর রয়েছে; তাঁর বৃদ্ধ বাবা বিরজো রাজভর অসুস্থ
📰 বিস্তারিত
রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের গোপালবাড়ি গ্রামের মহেশ রাজভর প্রায় ২৫ বছর ধরে তেলেভাজা ব্যবসায় নিয়োজিত। আগে অন্তারমোড়ে তাঁর দোকান ছিল। দুই বছর আগে তিনি বাজারে একটি বড় দোকানঘর ভাড়া নেন। সেখানে তিনি নিজে, তাঁর ছেলে অজয় রাজভর ও আরও তিনজন কর্মচারী কাজ করেন। দোকানে ক্রেতাদের বসার জন্য পাঁচটি টেবিল রয়েছে।
মহেশ রাজভর জানান, তাঁর দোকানের বিশেষ পুরিটি ডালের সঙ্গে মুরগির মাংস মিশিয়ে তৈরি করা হয়। রাজবাড়ী ছাড়াও ফরিদপুর, মাগুরা ও কুষ্টিয়া থেকে মানুষ তাঁর দোকানের খাবারের স্বাদ নিতে আসেন। বৃহস্পতিবার তাঁর দোকানে গিয়ে দেখা যায়, তিনি গরম তেলের কড়াইয়ে বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরিতে ব্যস্ত ছিলেন। কর্মচারীরা দ্রুত গরম খাবার টেবিলে পৌঁছে দিচ্ছিলেন।
ফরিদপুরের রাজাপুর থেকে আসা ফরহাদ ও রাজীব নামের দুই বন্ধু তাঁদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। রাজীব আহসান বলেন, ‘অনেক শুনেছি মহেশের দোকানের ভাজাপোড়ার খাবারের কথা। আজ দুই বন্ধু মিলে এসে আলুর চপ, মুরগির পাখনাভাজা ও পুরি খেলাম। প্রতিটি খাবারের স্বাদে ভিন্নতা রয়েছে।’
‘দোকানের আয় দিয়েই ঘরভাড়া, কর্মচারীদের বেতন, দুই সন্তানের লেখাপড়ার খরচসহ সংসার চলে। জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় খুব বেশি লাভ হচ্ছে না।’ — মহেশ রাজভর, দোকান মালিক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহেশ রাজভর (৫৫)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর, ১৪ হাজার টাকা, ২৫-২৬ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!