📅 ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজবাড়ীর জলাশয়ে ফিরছে হারিয়ে যাওয়া দেশি মাছের স্বর্ণযুগ

রাজবাড়ীর জলাশয়ে ফিরছে হারিয়ে যাওয়া দেশি মাছের স্বর্ণযুগ

📷 ছবি: বাসস

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BSS ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজবাড়ী জেলায় দেশি মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ছয়টি অভয়াশ্রম। ফলে হারিয়ে যাওয়া প্রজাতির মাছ পুনরায় পাওয়া যাচ্ছে

রাজবাড়ী জেলার নদ-নদী, খাল-বিল ও জলাশয়গুলো একসময় দেশি মাছের অন্যতম আবাসস্থল ছিল। তবে চায়না দুয়ারী জালের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে অনেক দেশি প্রজাতির মাছ প্রায় বিলুপ্তির পথে চলে গিয়েছিল। জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, রাজবাড়ী জেলায় মোট মৎস্য প্রজনন উৎপাদনের ক্ষেত্রের আয়তন ৪৪ হাজার ৮৮১ হেক্টর।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজবাড়ী জেলায় দেশি মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ছয়টি অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে
  • 📌 জেলায় বছরে মোট মাছ উৎপাদন হয় ৩৩ হাজার ২৫২ মেট্রিক টন, যা চাহিদার তুলনায় ১১ হাজার ১২ মেট্রিক টন বেশি
  • 📌 অভয়াশ্রমগুলো গোয়ালন্দ, কালুখালী, পাংশা ও বালিয়াকান্দি উপজেলায় অবস্থিত
  • 📌 দেশি কই, শিং, মাগুর, টেংরা ও পাবদার মতো মাছের উৎপাদন বাড়ছে

📰 বিস্তারিত

রাজবাড়ী জেলার নদ-নদী, খাল-বিল ও জলাশয়গুলো একসময় দেশি মাছের অন্যতম আবাসস্থল ছিল। তবে চায়না দুয়ারী জালের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে অনেক দেশি প্রজাতির মাছ প্রায় বিলুপ্তির পথে চলে গিয়েছিল। জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, রাজবাড়ী জেলায় মোট মৎস্য প্রজনন উৎপাদনের ক্ষেত্রের আয়তন ৪৪ হাজার ৮৮১ হেক্টর। ২০২৪-২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় বছরে মোট মাছ উৎপাদন হয় ৩৩ হাজার ২৫২ মেট্রিক টন। জেলার মোট মাছের চাহিদা ২২ হাজার ২৩৯ দশমিক ৮৬ মেট্রিক টন হওয়ায় উদ্বৃত্ত মাছ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করা হয়।

জেলা মৎস্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পুনরায় চাষাবাদের জন্য ছয়টি অভয়াশ্রম তৈরি করা হয়েছে। গোয়ালন্দ উপজেলায় একটি, কালুখালী উপজেলায় দুটি, পাংশা উপজেলায় একটি এবং বালিয়াকান্দিতে দুটি অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মৎস্য সংশ্লিষ্ট ও চাষিরা জানান, গত কয়েক বছর আগেও দেশি কই, শিং, মাগুর, টেংরা ও পাবদার মতো মাছের সরবরাহ ছিল না বললেই চলে। তবে বর্তমানে আধুনিক চাষ পদ্ধতি অনুসরণ করে বদ্ধ পুকুরেও এসব মাছ উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে স্থানীয় বাজারে দেশি মাছের সরবরাহ আগের তুলনায় বেড়েছে।

বালিয়াকান্দি উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ বলেন, অভয়াশ্রম স্থাপনের ফলে নির্দিষ্ট এলাকায় সরকারিভাবে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকায় এলাকার কেউ মাছ ধরার সাহস পায় না। ফলে ‘মা’ মাছ অবাধে ডিম ছাড়ার সুযোগ পায়, যা অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার আগে সম্ভব হতো না। এর ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, দেশি কই, শিং, মাগুর, বাইন, গুতুম, চান্দা, টেংরা, পাবদা, ঢেলা ও মলা জাতীয় মাছের চাষ ও উৎপাদন বাড়ায় বাজারে এসব মাছের সরবরাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজবাড়ী জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তানভীর আহমেদ (মৎস্য কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৪ হাজার ৮৮১ হেক্টর, ৩৩ হাজার ২৫২ মেট্রিক টন, ৬টি অভয়াশ্রম

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖