📌 বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পিএসসির কর্মকর্তা কৌশিক দেবনাথকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে হাজতে প্রেরণের আদেশ দেওয়া হয়েছে
ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পিএসসির প্রোগ্রামার কৌশিক দেবনাথের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন। আজ সোমবার আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির এই আদেশ দেন। এর আগে কৌশিক দেবনাথ আদালতে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। তাঁর আইনজীবী ছিলেন মো. শরিফুল ইসলাম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পিএসসির কর্মকর্তা কৌশিক দেবনাথকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত
- 📌 আদালতে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ২০২৪ সালের ৮ জুলাই পল্টন থানায় মামলা দায়ের করা হয়
- 📌 অভিযোগপত্রে ৫৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে আবেদ আলী অন্যতম
- 📌 প্রশ্নফাঁস চক্রটি বিজি প্রেস থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল
📰 বিস্তারিত
বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রোগ্রামার কৌশিক দেবনাথের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত। আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির আজ সোমবার এই আদেশ দেন। এর আগে কৌশিক দেবনাথ আদালতে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। তাঁর আইনজীবী ছিলেন মো. শরিফুল ইসলাম।
শুনানিতে কৌশিক দেবনাথের আইনজীবী দাবি করেন, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, আসামির ঘটনার সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ২০২৪ সালের ৮ জুলাই রাজধানীর পল্টন থানায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনে সিআইডির উপপরিদর্শক নিপ্পন চন্দ্র বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় ৩১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে গত ১৮ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন কুমার সাহা আবেদ আলীসহ ৫৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের মূল হোতা আবেদ আলীর নেতৃত্বে পরীক্ষার আগেই নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছে প্রশ্নসহ উত্তর পৌঁছে দেওয়া হতো। প্রার্থীদের নির্দিষ্ট স্থানে এনে প্রশ্ন ও উত্তর মুখস্থ করানো হতো। এরপর পরীক্ষার দিন তাঁদের কেন্দ্রে পাঠানো হতো। বিনিময়ে চক্রটি মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করত। চক্রটির বিস্তার ছিল দেশের বিভিন্ন জেলায়। এতে সরকারি চাকরিজীবী, পিএসসির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যবসায়ী, চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ যুক্ত ছিলেন বলে তদন্তে জানা গেছে।
"আসামির বিরুদ্ধে এজাহারে এবং অভিযোগপত্রে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট। তাঁর মক্কেল ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৌশিক দেবনাথ (পিএসসি কর্মকর্তা)
- 👥 আইনজীবী: মো. শরিফুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ জন আসামির নাম উল্লেখ, অজ্ঞাতনামা ৫০–৬০ জন, অভিযোগপত্র দাখিল ৫৫ জনের বিরুদ্ধে
- 🔢 তারিখ: ৮ জুলাই ২০২৪ (মামলা দায়ের), ১৮ মে ২০২৬ (অভিযোগপত্র দাখিল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!