📌 প্রোটিন কম গ্রহণ করলে আয়ু বৃদ্ধি পায় ও বার্ধক্য প্রক্রিয়া ধীর হয় বলে সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকদের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রোটিনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করলে মানবদেহে ক্ষতিকর কোষের সংখ্যা কমে এবং বিপাকীয় সমস্যা দূর হয়।
প্রোটিনকে স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হলেও সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন-ম্যাডিসন ইউনিভার্সিটির গবেষক ডাডলি ল্যামিংয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রোটিন গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে দিলে তা আয়ু বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন-ম্যাডিসন ইউনিভার্সিটির গবেষক ডাডলি ল্যামিংয়ের মতে, প্রোটিন গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে দিলে আয়ু বৃদ্ধি পায়
- 📌 গবেষক দল প্রায় তিন শতাধিক গবেষণাপত্র বিশ্লেষণ করেছেন
- 📌 একজন মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিনের পরিমাণ প্রতি কিলোগ্রাম ওজনের বিপরীতে গড়ে ০.৮ গ্রাম
- 📌 যে ইঁদুরগুলো ন্যূনতম প্রোটিন গ্রহণ করেছে তারা অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণকারী ইঁদুরের তুলনায় প্রায় ১২০ দিন বেশি বেঁচে থেকেছে
📰 বিস্তারিত
প্রোটিনকে স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হলেও সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন-ম্যাডিসন ইউনিভার্সিটির গবেষক ডাডলি ল্যামিংয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রোটিন গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে দিলে তা আয়ু বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।
ল্যামিংয়ের মতে, মানুষের মধ্যে প্রোটিন নিয়ে একধরনের মোহ কাজ করে। তবে তার গবেষণায় উঠে এসেছে যে যারা দৈনন্দিন জীবনে কম শারীরিক পরিশ্রম করেন, তাদের জন্য অতিরিক্ত প্রোটিন বিপাকীয় সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি এর ফলে আয়ু কমে যাওয়ারও শঙ্কা রয়েছে।
গবেষক দল প্রায় তিন শতাধিক গবেষণাপত্র বিশ্লেষণ করেছেন। এই গবেষণাগুলো মূলত অলস জীবনযাপনকারী ইঁদুরদের ওপর পরিচালিত হয়েছিল। দেখা গেছে, ইঁদুরগুলোকে যদি ঠিক যতটুকু প্রোটিন প্রয়োজন ততটুকু দেওয়া হয়, তাহলে তাদের আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য নির্দেশিকা অনুযায়ী, একজন মানুষের সুস্থ থাকার জন্য প্রতি কিলোগ্রাম ওজনের বিপরীতে গড়ে ০.৮ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন। গবেষণায় ইঁদুরগুলোকে এই পরিমাণ প্রোটিন দেওয়া হয়েছিল। আবার কিছু ইঁদুরকে দেওয়া হয়েছিল এর দ্বিগুণ প্রোটিন। ফলাফল ছিল চমকপ্রদ। যে ইঁদুরগুলো ন্যূনতম প্রোটিন গ্রহণ করেছে তারা অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণকারী ইঁদুরের তুলনায় প্রায় ১২০ দিন বেশি বেঁচে থেকেছে।
"প্রোটিন কম খেলে শরীরে ‘FGF21’ নামের একটি বিশেষ হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়, যা সরাসরি মস্তিষ্ক, চর্বি এবং লিভারে কাজ করে রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। পাশাপাশি এটি বুড়িয়ে যাওয়া কোষের সংখ্যা কমিয়ে দেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডাডলি ল্যামিং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন শতাধিক গবেষণাপত্র, ০.৮ গ্রাম প্রোটিন, ১২০ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!