📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ৭ নভেম্বর ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন। তিনি স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও দুর্নীতি-বৈষম্য দূর করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে বিপ্লবী ঐক্যের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রপতি
৭ নভেম্বর ‘মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একটি ঐতিহাসিক বাণী প্রকাশ করেছেন। বাণীতে তিনি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়সঙ্গত ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বলেছেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং দলমত নির্বিশেষে দুর্নীতি, বৈষম্য ও ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটাতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ নভেম্বর উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাণী দিয়েছেন, যেখানে তিনি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনের উপর জোর দিয়েছেন।
- 📌 রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী বীর সেনানীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছেন, ঐতিহাসিক দিনটি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে আনে।
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-ছাত্রী, নারী-পুরুষ, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ঐক্য ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটায়।
- 📌 রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়ার ভূমিকাকে ‘জাতির ক্রান্তিকালে ত্রাতার’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
- 📌 তিনি বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ, সাম্য ও গণতন্ত্রের অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
📰 বিস্তারিত
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাণীতে ৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় দিন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ঐতিহাসিক দিনটি তাবেদারি অপশাসন ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সিপাহি-জনতার সংহতি থেকে উদ্ভূত। এই বিপ্লবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন এবং জনগণের সমর্থনে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পান। রাষ্ট্রপতি বলেছেন, এই বিপ্লবের মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও অর্থনৈতিক মুক্তি প্রতিষ্ঠা করেন।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল সশস্ত্র বাহিনী, ছাত্র-ছাত্রী, নারী-পুরুষের ঐক্যের ফল। এই ঐক্য ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটায় এবং বাংলাদেশকে আবার গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। তিনি বলেছেন, এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ৭ নভেম্বর উপলক্ষে দেশের সব নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, ‘জাতির এই ক্রান্তিকালে ত্রাতার’ ভূমিকা পালনকারী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চেতনা থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে সকলেই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
"আমাদের সশস্ত্র বাহিনী দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সর্বদা সংহতি ও ঐক্য প্রকাশ করেছে। সেই একই চেতনা পুনর্জাগরিত হয় ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ নভেম্বর, ১৯৭৫, ২০২৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!