📌 পটুয়াখালীর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রোগীদের খাবারে তেলাপোকা ও দুর্গন্ধের অভিযোগ উঠেছে। বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান খাবারের গন্ধ শুঁকে দেখার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বিতর্ক শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্তের কথা জানিয়েছেন
পটুয়াখালীর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রোগীদের খাবারে তেলাপোকা ও তীব্র দুর্গন্ধ থাকার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি সামনে আসার পর বিএনপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান খাবারের গন্ধ শুঁকে দেখার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর নতুন বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভিডিওতে দেখা যায়, মজিবুর রহমান খাবার চামচে তুলে দুইবার গন্ধ শুঁকছেন
- 📌 রোগীরা অভিযোগ করেছেন, হাসপাতালে তেলাপোকার উপদ্রব বেড়েছে এবং খাবারেও তেলাপোকা পাওয়া যাচ্ছে
- 📌 জেলা ছাত্রদলের এক নেতার বাবা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় ঘটনাটি সামনে আসে
- 📌 হাসপাতালের বাবুর্চি মজিবর মিয়া খাবারে তেলাপোকা থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার দুপুরে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রোগীদের মধ্যে খাবার বিতরণের সময় ঘটনাটি ঘটে। ভিডিওতে দেখা যায়, মজিবুর রহমান খাবার চামচে তুলে দুইবার নাকের কাছে নিয়ে গন্ধ শুঁকছেন। পরে রাজীব আহামদ নামে এক ব্যক্তি নিজের ফেসবুকে ভিডিওটি পোস্ট করে নেতার সমালোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভিডিওতে মজিবুর রহমানকে খাবার খেতে দেখা যায়নি, তিনি শুধু গন্ধ শুঁকেছেন।
মজিবুর রহমান দাবি করেন, রোগীরা তাঁকে খাবারের মান যাচাই করতে অনুরোধ করেছিলেন। তিনি বলেন, যেখানে খাবারে তেলাপোকা ও দুর্গন্ধের অভিযোগ রয়েছে, সেখানে সেই খাবার মুখে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। শুধু চামচে খাবার তুলে গন্ধ শুঁকেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও বেডে তেলাপোকার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় রোগী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক দিলরুবা ইয়াসমিনকে তেলাপোকা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
"রোগীদের অনুরোধেই খাবারের গন্ধ শুঁকে দেখেছি। যেখানে তেলাপোকা ও দুর্গন্ধের অভিযোগ রয়েছে, সেখানে খাবার মুখে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।"
হাসপাতালের বাবুর্চি মজিবর মিয়া অবশ্য খাবারে তেলাপোকা থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি প্রথমে দাবি করেন, মজিবুর রহমান খাবার খেয়ে প্রশংসা করেছেন। পরে অবশ্য তিনি বলেন, নেতা খাবার মুখে দেননি। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান, সব ধরনের খাবারের মান যাচাইয়ে সতর্ক থাকা উচিত এবং বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালী জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মজিবুর রহমান (বিএনপি জেলা সাধারণ সম্পাদক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ (হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!