📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাংসদীয় কমিটিতে জামুকা: বীরাঙ্গনা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য ২২২ আবেদন অপেক্ষমাণ, মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় ৬১৫ আবেদন শুনানির অপেক্ষায়

সাংসদীয় কমিটিতে জামুকা: বীরাঙ্গনা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য ২২২ আবেদন অপেক্ষমাণ, মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় ৬১৫ আবেদন শুনানির অপেক্ষায়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল জানায়, বীরাঙ্গনা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য ২২২টি আবেদন অপেক্ষমাণ রয়েছে। একই বৈঠকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য ৬১৫টি আবেদন শুনানির অপেক্ষায় রাখার তথ্য তুলে ধরা হয়।

মঙ্গলবার বিকেলে সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে জানানো হয়, বীরাঙ্গনা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য ২২২টি আবেদন এখনও অপেক্ষমাণ রয়েছে। অন্যদিকে, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য ৬১৫টি আবেদন শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বীরাঙ্গনা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য অপেক্ষমাণ আবেদনের সংখ্যা: ২২২টি
  • 📌 মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য শুনানির অপেক্ষায় থাকা আবেদনের সংখ্যা: ৬১৫টি
  • 📌 ২০১০ সাল থেকে অমুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট বাতিলের সুপারিশ করেছে জামুকা
  • 📌 জামুকা কর্তৃক এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বৈঠকের সংখ্যা: ১০৩টি
  • 📌 জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে গঠিত উপকমিটির সুপারিশ পাওয়া মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা: ১০৪ জন
  • 📌 ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে শুনানির অপেক্ষায় থাকা আবেদনের সংখ্যা: ২০২টি

📰 বিস্তারিত

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, ফজলুর রহমান, মো. আবদুল হান্নান, আমীর এজাজ খান ও রোকেয়া বেগম। বৈঠকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের কার্যক্রমের পাশাপাশি বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তরের কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।

জামুকা সূত্রে জানানো হয়, ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত অমুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। বৈঠকে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়ন ও প্রকাশিত গেজেট যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত অনিষ্পন্ন কাজের তালিকা উপস্থাপন করা হয়। এ সময় জানানো হয়, জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে গঠিত উপকমিটি কর্তৃক যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সুপারিশ পাওয়া ১০৪ মুক্তিযোদ্ধার নাম গেজেটভুক্তির জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।

"বৈঠকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য ৬১৫টি আবেদন শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। একই সঙ্গে বীরাঙ্গনা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য ২২২টি আবেদন অপেক্ষমাণ রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সংসদ ভবন, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মনিরুল হক চৌধুরী (সভাপতি), আহমেদ আযম খান (মন্ত্রী), ইশরাক হোসেন (প্রতিমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২২, ৬১৫, ১০৩, ১০৪, ২০২

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖