📅 ২৮ আগস্ট ২০২৬, ২:০৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গুমকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে তিনটি বিল উত্থাপন সংসদে, বিরোধীদের ওয়াকআউট

গুমকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে তিনটি বিল উত্থাপন সংসদে, বিরোধীদের ওয়াকআউট

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গুমকে স্বতন্ত্র ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করে মৃত্যুদণ্ডের বিধানসহ তিনটি বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়েছে। বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী সদস্যরা বিল উত্থাপন পর্ব থেকে ওয়াকআউট করেন

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপিত হয়েছে। এর মধ্যে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’-এর মাধ্যমে গুমকে স্বতন্ত্র ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন রহিত করে নতুন আইন প্রণয়ন ও সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধনের জন্য আরও দুটি বিল উত্থাপন করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সংসদে উত্থাপিত তিনটি বিলের মধ্যে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিলে মৃত্যুদণ্ডসহ সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে
  • 📌 গুমের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী বা শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য কর্তৃক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার বা অপহরণ করে অবস্থান গোপন রাখাকে গুম হিসেবে গণ্য করা হবে
  • 📌 বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের সমালোচনা করে ওয়াকআউট করেন
  • 📌 গুমের অভিযোগ তদন্তে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে অভিযোগ পাঠানোর বিধান রাখা হয়েছে
  • 📌 গুমের মিথ্যা অভিযোগের ক্ষেত্রে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার তিনটি বিল উত্থাপিত হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন। বিলটিতে গুমকে স্বতন্ত্র ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া গুমের ফলে মৃত্যু ঘটলে, মরদেহ পাওয়া গেলে বা পাঁচ বছর পরও ব্যক্তিকে উদ্ধার করা না গেলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

বিলে গুমের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী বা শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য (সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, গোয়েন্দা সংস্থা ইত্যাদি) নিজ পরিচয়ে বা সরকারের সমর্থনে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার, আটক বা অপহরণ করে তার অবস্থান গোপন রাখলে তা গুম হিসেবে গণ্য হবে। গুমের অভিযোগ তদন্তে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে অভিযোগ পাঠানোর বিধান রাখা হয়েছে।

বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের সমালোচনা করে বক্তব্য দেন। তিনি জুলাই সনদ ও সংবিধান সংশোধন কমিটি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ও গুম প্রতিরোধ বিল উত্থাপন পর্ব থেকে ওয়াকআউট করেন। বিরোধী সদস্যরা রাত ৮টা ৬ মিনিটে গণমাধ্যমকে ব্রিফ করেন।

"গুম একটি জঘন্যতম মানবাধিকার লঙ্ঘন। এর বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োজন। সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, ঢাকা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিনটি বিল, ১২০ দিন তদন্তকাল, ৯০ কার্যদিবস বিচারকাল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖