📌 পাবনা থেকে ঢাকার সরাসরি রেলপথ চালু হবে নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে। ২০টি নতুন কোচের পরীক্ষা শেষে এই রেলপথ উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে
পাবনা জেলার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটবে নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে। ঢাকার সঙ্গে সরাসরি রেলপথে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয় আগ্রহী। ২০টি নতুন কোচের কমিশনিংসহ কারিগরি পরীক্ষা শেষে এই রেলপথ উদ্বোধনের কথা বলেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে পাবনা-ঢাকা সরাসরি রেলপথ চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে
- 📌 ২০টি নতুন কোচ সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় পৌঁছেছে, যা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ট্রেন চলাচল শুরু করবে
- 📌 পাবনা রেলওয়ে স্টেশন আধুনিকায়ন ও লাইনগত সমস্যা সমাধানের কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানানো হয়েছে
- 📌 ২০০ বছরের পুরোনো পাবনা জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সরাসরি রেল যোগাযোগের অপেক্ষা শেষ হবে
- 📌 সড়কপথের যানজট ও ব্যয় কমবে সরাসরি রেলপথ চালু হলে বলে মনে করেন স্থানীয় বাসিন্দারা
📰 বিস্তারিত
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম জানান, ‘আমাদের কিছু ইন্টারনাল প্রসেস রয়েছে যা এখনো সমাপ্ত হয়নি। এগুলো সমাধানের পর আমরা আশা করি নভেম্বরের মাঝামাঝি কোনো একটি দিনে এই রেলপথ উদ্বোধন করতে পারব।’ তিনি বলেন, ‘সপ্তাহ তিনেক সময় লাগবে ইন্টারনাল প্রসেস সমাধানের জন্য।’
পাবনা রেলওয়ে স্টেশনের ইনচার্জ মিরাজুল ইসলাম জানান, ‘পাবনা স্টেশনের কাঠামোগত সকল কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাছাড়া লাইনগত বা অ্যাক্সিডেন্টাল সমস্যা সমাধানের কাজও শেষ হয়ে গেছে।’ তিনি বলেন, ‘এখন শুধু ট্রেনের কোচের পরীক্ষা-নিরীক্ষা অবশিষ্ট রয়েছে। পাবনা থেকে ঢাকার সরাসরি রেলপথের উদ্বোধন অতি শিগগিরই হবে।’
পাবনা জেলার মানুষের জন্য এই সরাসরি রেলপথের উদ্বোধন একটি বড়ো সুসংবাদ। দীর্ঘদিন ধরে ঈশ্বরদী ও চাটমোহর হয়ে রাজশাহী রুটে ট্রেন চলাচল করলেও পাবনা শহর ও দক্ষিণাঞ্চলের বাসিন্দারা সরাসরি ঢাকায় যাতায়াতের সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। ২০১৯ সাল থেকে পাবনা-রাজশাহী রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হলেও সরাসরি ঢাকার সঙ্গে রেল যোগাযোগ ছিল না। ফলে ঢাকায় যাতায়াতের জন্য সড়কপথের ওপর নির্ভর করতে হতো তাদের।
স্থানীয় বাসিন্দা আলাল বলেন, ‘ট্রেন চালু হলে যাতায়াতব্যবস্থা আরও সহজ হবে। পাবনা থেকে সহজেই ঢাকায় যাওয়া যাবে। সড়কপথে দীর্ঘ যানজট পেরিয়ে ঢাকায় যেতে যে সময় লাগত, ট্রেন চালু হলে সেই ভোগান্তি কমবে।’ ব্যবসায়ী এবিএম ফজলুর রহমান বলেন, ‘ব্যবসায়িক কাজে আমাকে সড়কপথে ঢাকায় যেতে হতো। বাস কিংবা অন্যান্য যানবাহনে যাতায়াত ছিল সময়সাপেক্ষ ও নিরাপত্তার দিক থেকে উদ্বেগজনক। সরাসরি ট্রেন চালু হলে নিরাপদে ঢাকায় যাতায়াত করতে পারবেন বলে আশা করছি।’
"আমাদের কিছু ইন্টারনাল প্রসেস আছে, এগুলো অ্যাডজাস্ট করব আমরা। সপ্তাহ তিনেক সময় লাগবে। আমরা আশা করছি যে, নভেম্বরের মাঝামাঝি কোনো একটি দিনে আমরা এটি উদ্বোধন করতে পারব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাবনা, ঢাকা, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাহিমুল ইসলাম (রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব), মিরাজুল ইসলাম (পাবনা রেলওয়ে স্টেশনের ইনচার্জ), আলাল (বাসিন্দা), এবিএম ফজলুর রহমান (ব্যবসায়ী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০টি নতুন কোচ, ২০০ বছরের পুরোনো জেলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!