📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শেরপুরের বসতঘরে স্বামীর কবরের পাশেই দাফন: দীর্ঘদিন অসুস্থ বৃদ্ধের শেষকৃত্য

শেরপুরের বসতঘরে স্বামীর কবরের পাশেই দাফন: দীর্ঘদিন অসুস্থ বৃদ্ধের শেষকৃত্য

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার শালমারা গ্রামে দাফনের জায়গা না থাকায় ৭০ বছর বয়সী করিম মিয়া (৭০) এর মরদেহ ঘরেই কবর দেওয়া হয়। তার স্ত্রী সাজেদা খাতুন (৬০) এখনও সেই ঘরে বসবাস করছেন, যেখানে স্বামীর কবর তার পাশেই

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার শালমারা গ্রামে দাফনের জন্য আলাদা জায়গা না থাকায় ৭০ বছর বয়সী করিম মিয়া (৭০) এর মরদেহ ঘরেই কবর দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে মারা যান তিনি। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জানাজা শেষে তার দাফন করা হয়। করিম মিয়া ছিলেন এই গ্রামের বাসিন্দা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার শালমারা গ্রামে ৭০ বছর বয়সী করিম মিয়া (৭০) এর মরদেহ ঘরেই কবর দেওয়া হয়েছে, কারণ দাফনের জন্য আলাদা জায়গা ছিল না।
  • 📌 করিম মিয়া ২৫ অক্টোবর বিকেলে মারা যান এবং ২৬ অক্টোবর সকাল ১০টায় জানাজা শেষে তার দাফন করা হয়।
  • 📌 তার স্ত্রী সাজেদা খাতুন (৬০) এখনও সেই ঘরে বসবাস করছেন, যেখানে স্বামীর কবর তার পাশেই অবস্থিত।
  • 📌 করিম মিয়ার দুই মেয়ে ও এক ছেলে, যাদের মধ্যে একজন ঢাকায় বাস করে, অন্যরা স্বামীর বাড়িতে।
  • 📌 করিম মিয়ার বড় মেয়ে কোতুলী বেগম জানান, বাবা দীর্ঘদিন পক্ষাঘাতে আক্রান্ত ছিলেন এবং চিকিৎসার খরচ জোগাতে জমি বিক্রি করতে হয়েছিল।
  • 📌 স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ মিয়া বলেন, একসময় করিম মিয়ার ছিল জমি ও প্রতিপত্তি, কিন্তু অসুস্থতার কারণে জমি বিক্রি করতে হয়েছিল।

📰 বিস্তারিত

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার তাতিহাটি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শালমারা গ্রামে করিম মিয়া (৭০) এর মরদেহ ঘরেই কবর দেওয়া হয়েছে। করিম মিয়া দীর্ঘদিন পক্ষাঘাতে আক্রান্ত ছিলেন এবং চিকিৎসার খরচ জোগাতে তার বড় মেয়ে কোতুলী বেগম জমি বিক্রি করেছিলেন। জমি কেনার পরও ঘরটি তার বাবা-মায়ের বসতবাড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হত।

কোতুলী বেগম জানান, তিনি ও তার ভাই-বোন ঢাকায় বাসাবাড়িতে কাজ করেন। দাফনের জন্য কোনো জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে ঘরের ভেতরে কবর দিতে হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারি কবরস্থান থাকলে সেখানে দাফন করতে পারতেন। কিন্তু এখানে সেই ব্যবস্থা নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ মিয়া বলেন, একসময় করিম মিয়ার ছিল জমি ও প্রতিপত্তি। কিন্তু অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার খরচ জোগাতে তাকে জমি বিক্রি করতে হয়েছিল।

"আমাদের এখানে দাফনের জন্য কোনো জায়গাজমি নেই। তাই বাধ্য হয়ে ঘরের ভেতরে কবর দিতে হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শালমারা গ্রাম, শ্রীবরদী উপজেলা, শেরপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: করিম মিয়া (৭০), সাজেদা খাতুন (৬০), কোতুলী বেগম, মাসুদ মিয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ বছর বয়সী করিম মিয়া, ৬০ বছর বয়সী সাজেদা খাতুন, ৯ নম্বর ওয়ার্ড, ২৫ ও ২৬ অক্টোবর ২০২৬

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖