📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পুরোনো বইয়ের গন্ধে লুকিয়ে আছে স্মৃতি আর রসায়নের বিস্ময়কর মেলবন্ধন

পুরোনো বইয়ের গন্ধে লুকিয়ে আছে স্মৃতি আর রসায়নের বিস্ময়কর মেলবন্ধন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পুরোনো বইয়ের গন্ধ মানবমনে কেবল স্মৃতিই জাগায় না, বিজ্ঞান বলছে এর পেছনে রয়েছে রাসায়নিক যৌগের এক বিস্ময়কর খেলা। বিব্লিওসমিয়া নামের এই বিশেষ অনুভূতি নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা

পুরোনো বইয়ের পাতা উল্টালেই নাকে ভেসে আসে এক অনন্য গন্ধ—মিষ্টি, ধুলামাখা আর স্যাঁতসেঁতে এক মিশ্রণ। এই গন্ধ মানবমনে এমন এক অনুভূতি সৃষ্টি করে যা মুহূর্তেই মনকে প্রশান্তিতে ভরে দেয়। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, পুরোনো বইয়ের গন্ধের প্রতি মানুষের এই অদ্ভুত ভালোবাসার নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিব্লিওসমিয়া’। ২০১৪ সালে ইংরেজ অধ্যাপক অলিভার টিয়ার্ল গ্রিক শব্দ ‘বই’ ও ‘গন্ধ’ মিলিয়ে এই শব্দটি তৈরি করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পুরোনো বইয়ের গন্ধকে বলা হয় ‘বিব্লিওসমিয়া’, যার অর্থ গ্রিক ভাষায় ‘বইয়ের গন্ধ’।
  • 📌 নিউরোলজিস্ট রাব নওয়াজ খানের মতে, পুরোনো বইয়ের গন্ধ মানবমস্তিষ্কে পুরোনো স্মৃতিকে জাগিয়ে তোলে।
  • 📌 পুরোনো বইয়ের গন্ধের পেছনে রয়েছে চার ধরনের রাসায়নিক যৌগ: ভ্যানিলিন, বেনজালডিহাইড, ফারফিউরাল ও গুয়াইয়াকল।
  • 📌 নতুন বইয়ের গন্ধ মূলত কালি, কাগজ ও আঠার তাজা গন্ধ, যা কয়েক বছর পর পুরোনো বইয়ের মিষ্টি গন্ধে পরিণত হয়।
  • 📌 পুরোনো বইয়ের গন্ধ শোঁকা সম্পূর্ণ নিরাপদ হলেও স্যাঁতস্যাঁতে বা ছত্রাকযুক্ত বই থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।

📰 বিস্তারিত

পুরোনো বইয়ের গন্ধ মানবমনে কেবল আনন্দই নয়, স্মৃতির দরজাও খুলে দেয়। নিউরোলজিস্ট রাব নওয়াজ খান জানান, গন্ধের সঙ্গে আবেগের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের মস্তিষ্কে গন্ধ দ্রুত আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী অংশে পৌঁছে যায়, ফলে পুরোনো বইয়ের গন্ধ মুহূর্তেই মনকে প্রশান্ত করে তোলে। এই গন্ধের কারণে মানুষের মনে উঁকি দেয় স্কুল লাইব্রেরির শান্ত বিকেল, দাদুর বুকশেলফ ঘাঁটার স্মৃতি কিংবা কোনো প্রিয় মানুষের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, পুরোনো বইয়ের গন্ধের পেছনে রয়েছে রাসায়নিক যৌগের এক বিস্ময়কর খেলা। বইয়ের পাতায় থাকা সেলুলোজ ও লিগনিন ধীরে ধীরে ভেঙে গিয়ে বাতাসে ভোলাটাইল অর্গানিক কম্পাউন্ডস নির্গত করে। এই যৌগগুলোর মধ্যে ভ্যানিলিন মিষ্টি বিস্কুটের গন্ধ দেয়, বেনজালডিহাইড যোগ করে বাদামের আমেজ, ফারফিউরাল সেঁকা পাউরুটির গন্ধ দেয়, আর গুয়াইয়াকল দেয় পোড়া কাঠ বা ক্যাম্পফায়ারের অনুভূতি।

পুরোনো বইয়ের তুলনায় নতুন বইয়ের গন্ধ সম্পূর্ণ আলাদা। নতুন বইয়ের পাতা থেকে আসা গন্ধ মূলত নতুন কালি, কাগজ সাদা করার রাসায়নিক ও আঠার তাজা গন্ধ। কয়েক বছর পর এই গন্ধ ধীরে ধীরে মিলিয়ে গিয়ে পুরোনো বইয়ের সেই মিষ্টি গন্ধে পরিণত হয়।

পুরোনো বইয়ের গন্ধ শোঁকা স্বাস্থ্যের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ বলে জানিয়েছেন ডা. খান। তবে বইয়ের পাতা স্যাঁতস্যেঁতে বা ছত্রাকযুক্ত হলে তা থেকে দূরে থাকাই ভালো। কারণ ছত্রাক বা ধুলাবালুর গন্ধ শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

"পুরোনো বইয়ের গন্ধ মানবমস্তিষ্কে আবেগ ও স্মৃতিকে জাগিয়ে তোলে। গন্ধের সঙ্গে আবেগের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে বলে এটি দ্রুত মস্তিষ্কের আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী অংশে পৌঁছে যায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পৃথিবীব্যাপী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিউরোলজিস্ট রাব নওয়াজ খান, অলিভার টিয়ার্ল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (রাসায়নিক যৌগের ধরন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖